আরও পড়ুন, কুমিল্লায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত
শনিবার (৩০ মে) মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা পূর্বপাড়া গ্রামে আনিকার বাড়িতে পৌঁছান ওয়াং ইউলাই। তিনি পেশায় চীনের একটি স্কুলের শিক্ষক। বিদেশি এক যুবকের এমন আগমনের খবরে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ভিড় জমান তাকে একনজর দেখার জন্য।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত মাস আগে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওয়াং ইউলাই ও আনিকার পরিচয় হয়। শুরুতে বন্ধুত্ব থাকলেও সময়ের সঙ্গে তা প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। দীর্ঘদিন অনলাইনে যোগাযোগের পর আনিকার সঙ্গে দেখা করতে এক মাসের ট্যুরিস্ট ভিসায় বাংলাদেশে আসেন এই চীনা তরুণ।
আরও পড়ুন, কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
ওয়াং ইউলাই বলেন, “আমি আনিকাকে মন থেকে ভালোবাসি। বাংলাদেশের আইন মেনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তাকে বিয়ে করতে চাই। এখানে এসে তার পরিবারের কাছ থেকে যে আন্তরিকতা পেয়েছি, তা আমাকে মুগ্ধ করেছে।” তিনি আরও বলেন, কিছু প্রতারক নিজেদের চীনা নাগরিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়ালেও তিনি সম্পূর্ণ বৈধ ও আইনসম্মত উপায়ে বিয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চান।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে কসবায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে এমপি মুশফিকুর রহমানের মতবিনিময়
অন্যদিকে, চীনা প্রেমিককে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত আনিকা আক্তার। তিনি বলেন, “অনলাইনে পরিচয়ের পর আমাদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয়। আমরা একসঙ্গে জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সে কথা দিয়েছিল ৩০ তারিখে বাংলাদেশে আসবে এবং ঠিক সেই প্রতিশ্রুতিই রেখেছে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্তও সে নিজে থেকেই নিয়েছে।”
আনিকার পরিবার জানিয়েছে, ওয়াং ইউলাই বর্তমানে এক মাসের ভিসায় বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুতই বিয়ের আয়োজন করা হবে। এরপর আন্তর্জাতিক কাগজপত্র ও ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম শেষ করে আনিকাকে নিয়ে চীনে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
আরও পড়ুন, কালুখালীতে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চীনা নাগরিক ও আনিকার পরিবারের সদস্যরা থানায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। ওয়াং ইউলাই তার বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শন করেছেন। নথিপত্র যাচাই করে সেগুলো বৈধ পাওয়া গেছে এবং তিনি বর্তমানে মেয়েটির পরিবারের সঙ্গেই অবস্থান করছেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ মে মির্জাপুরের আনাইতারা ইউনিয়নের চামারি ফতেপুর গ্রামে দুই ব্যক্তি নিজেদের চীনা নাগরিক পরিচয় দিয়ে বিয়ের উদ্দেশ্যে এসে স্থানীয়দের সন্দেহের মুখে পড়েন। পরে তারা এলাকা ত্যাগ করেন। তবে ওয়াং ইউলাইয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পরিচয় যাচাইয়ে কোনো অসঙ্গতি না পাওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে।
বিষয় : বিয়ে প্রেম চীনা শিক্ষক অনলাইন প্রেম

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
আরও পড়ুন, কুমিল্লায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত
শনিবার (৩০ মে) মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা পূর্বপাড়া গ্রামে আনিকার বাড়িতে পৌঁছান ওয়াং ইউলাই। তিনি পেশায় চীনের একটি স্কুলের শিক্ষক। বিদেশি এক যুবকের এমন আগমনের খবরে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ভিড় জমান তাকে একনজর দেখার জন্য।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত মাস আগে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওয়াং ইউলাই ও আনিকার পরিচয় হয়। শুরুতে বন্ধুত্ব থাকলেও সময়ের সঙ্গে তা প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। দীর্ঘদিন অনলাইনে যোগাযোগের পর আনিকার সঙ্গে দেখা করতে এক মাসের ট্যুরিস্ট ভিসায় বাংলাদেশে আসেন এই চীনা তরুণ।
আরও পড়ুন, কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
ওয়াং ইউলাই বলেন, “আমি আনিকাকে মন থেকে ভালোবাসি। বাংলাদেশের আইন মেনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তাকে বিয়ে করতে চাই। এখানে এসে তার পরিবারের কাছ থেকে যে আন্তরিকতা পেয়েছি, তা আমাকে মুগ্ধ করেছে।” তিনি আরও বলেন, কিছু প্রতারক নিজেদের চীনা নাগরিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়ালেও তিনি সম্পূর্ণ বৈধ ও আইনসম্মত উপায়ে বিয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চান।
আরও পড়ুন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে কসবায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে এমপি মুশফিকুর রহমানের মতবিনিময়
অন্যদিকে, চীনা প্রেমিককে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত আনিকা আক্তার। তিনি বলেন, “অনলাইনে পরিচয়ের পর আমাদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয়। আমরা একসঙ্গে জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সে কথা দিয়েছিল ৩০ তারিখে বাংলাদেশে আসবে এবং ঠিক সেই প্রতিশ্রুতিই রেখেছে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্তও সে নিজে থেকেই নিয়েছে।”
আনিকার পরিবার জানিয়েছে, ওয়াং ইউলাই বর্তমানে এক মাসের ভিসায় বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুতই বিয়ের আয়োজন করা হবে। এরপর আন্তর্জাতিক কাগজপত্র ও ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম শেষ করে আনিকাকে নিয়ে চীনে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
আরও পড়ুন, কালুখালীতে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত
এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চীনা নাগরিক ও আনিকার পরিবারের সদস্যরা থানায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। ওয়াং ইউলাই তার বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শন করেছেন। নথিপত্র যাচাই করে সেগুলো বৈধ পাওয়া গেছে এবং তিনি বর্তমানে মেয়েটির পরিবারের সঙ্গেই অবস্থান করছেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ মে মির্জাপুরের আনাইতারা ইউনিয়নের চামারি ফতেপুর গ্রামে দুই ব্যক্তি নিজেদের চীনা নাগরিক পরিচয় দিয়ে বিয়ের উদ্দেশ্যে এসে স্থানীয়দের সন্দেহের মুখে পড়েন। পরে তারা এলাকা ত্যাগ করেন। তবে ওয়াং ইউলাইয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পরিচয় যাচাইয়ে কোনো অসঙ্গতি না পাওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে।

আপনার মতামত লিখুন