পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছুটির সময় দেশের ব্যাংকিং ও ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সচল রাখতে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জারি করা এক সার্কুলারে তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার এবং পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের জন্য এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, ঈদের ছুটির সময় গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে এটিএম, পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), কিউআর কোড, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস চালু রাখতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সব এটিএম বুথে সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনো কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে দ্রুত সমাধান করতে হবে। পাশাপাশি বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সরবরাহ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে ব্যাংক কর্মকর্তাদের সরাসরি বুথ পরিদর্শন করতে হবে।
আরও পড়ুন, স্নোটেক্স গ্রুপে আন্তর্জাতিক মানবসম্পদ দিবস-২০২৬ উদযাপন
পিওএস ও কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেনও সার্বক্ষণিক সচল রাখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জালিয়াতি প্রতিরোধে গ্রাহক ও মার্চেন্টদের সচেতন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বাধ্যতামূলকভাবে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কার্ড নট প্রেজেন্ট লেনদেনে নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, ঈদের আগে আরও দুই দিন ব্যাংক খোলা, এরপর টানা ৭ দিনের ছুটি
এছাড়া লেনদেন নিষ্পত্তি সংক্রান্ত ‘৮৫’ ব্রাঞ্চ কোডভিত্তিক সেটলমেন্ট রিপোর্ট পাওয়ার পর দ্রুত গ্রাহকের হিসাবে অর্থ জমা দেওয়ার নির্দেশও রয়েছে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঈদের সময় বাড়তি লেনদেনের চাপ সামাল দিতে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে এবং এজেন্ট পয়েন্টে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন, নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন, সবজির দাম বাড়ায় চাপে সাধারণ মানুষ
সব ধরনের ডিজিটাল লেনদেনের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে এসএমএস এলার্টের মাধ্যমে গ্রাহককে জানাতে হবে। পাশাপাশি হয়রানি এড়াতে সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন চালু রাখা এবং গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পূর্বে জারি করা সব নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছুটির সময় দেশের ব্যাংকিং ও ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সচল রাখতে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জারি করা এক সার্কুলারে তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার এবং পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের জন্য এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, ঈদের ছুটির সময় গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে এটিএম, পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), কিউআর কোড, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস চালু রাখতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সব এটিএম বুথে সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনো কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে দ্রুত সমাধান করতে হবে। পাশাপাশি বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সরবরাহ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে ব্যাংক কর্মকর্তাদের সরাসরি বুথ পরিদর্শন করতে হবে।
আরও পড়ুন, স্নোটেক্স গ্রুপে আন্তর্জাতিক মানবসম্পদ দিবস-২০২৬ উদযাপন
পিওএস ও কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেনও সার্বক্ষণিক সচল রাখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জালিয়াতি প্রতিরোধে গ্রাহক ও মার্চেন্টদের সচেতন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বাধ্যতামূলকভাবে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কার্ড নট প্রেজেন্ট লেনদেনে নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, ঈদের আগে আরও দুই দিন ব্যাংক খোলা, এরপর টানা ৭ দিনের ছুটি
এছাড়া লেনদেন নিষ্পত্তি সংক্রান্ত ‘৮৫’ ব্রাঞ্চ কোডভিত্তিক সেটলমেন্ট রিপোর্ট পাওয়ার পর দ্রুত গ্রাহকের হিসাবে অর্থ জমা দেওয়ার নির্দেশও রয়েছে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঈদের সময় বাড়তি লেনদেনের চাপ সামাল দিতে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে এবং এজেন্ট পয়েন্টে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন, নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন, সবজির দাম বাড়ায় চাপে সাধারণ মানুষ
সব ধরনের ডিজিটাল লেনদেনের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে এসএমএস এলার্টের মাধ্যমে গ্রাহককে জানাতে হবে। পাশাপাশি হয়রানি এড়াতে সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন চালু রাখা এবং গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পূর্বে জারি করা সব নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন