দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ‘নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ গঠন করেছে সরকার। রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকার কমিটিটি পুনর্গঠন করেছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন, এডিপিতে ৩ লাখ কোটি টাকা, উন্নয়নে ‘মেগা পরিকল্পনা’ সরকারের
কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সহ-সভাপতি থাকবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। আর প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশের মহাপরিদর্শক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর বা ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের মহাপরিচালক, বিজিবি, র্যাব, এনটিএমসি ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের।
আরও পড়ুন, ইউরিয়া সার ও জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বৈঠক
এছাড়া সিআইডি, স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রতিনিধিরাও প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তাদানকারী কর্মকর্তা হিসেবে যুক্ত থাকবেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটি দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও দিকনির্দেশনা দেবে।
আরও পড়ুন, সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয়, জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল
একইসঙ্গে প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে সংশোধন, সংস্কার কিংবা নতুন আইন প্রণয়নের সুপারিশ করার ক্ষমতাও থাকবে কমিটির। অনলাইন প্ল্যাটফর্মসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়মিত তদারকি এবং গোয়েন্দা ও আইন-শৃঙ্খলা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারেও কাজ করবে এই কমিটি। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর বা এনএসআই কমিটির সচিবালয় পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামোগত সহায়তা দেবে। তবে প্রয়োজনে অন্য কোনো গোয়েন্দা বা আইন-শৃঙ্খলা সংস্থাও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এ দায়িত্ব পালন করতে পারবে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ‘নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ গঠন করেছে সরকার। রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকার কমিটিটি পুনর্গঠন করেছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন, এডিপিতে ৩ লাখ কোটি টাকা, উন্নয়নে ‘মেগা পরিকল্পনা’ সরকারের
কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সহ-সভাপতি থাকবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। আর প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশের মহাপরিদর্শক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর বা ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের মহাপরিচালক, বিজিবি, র্যাব, এনটিএমসি ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের।
আরও পড়ুন, ইউরিয়া সার ও জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বৈঠক
এছাড়া সিআইডি, স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রতিনিধিরাও প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তাদানকারী কর্মকর্তা হিসেবে যুক্ত থাকবেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটি দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও দিকনির্দেশনা দেবে।
আরও পড়ুন, সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয়, জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল
একইসঙ্গে প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে সংশোধন, সংস্কার কিংবা নতুন আইন প্রণয়নের সুপারিশ করার ক্ষমতাও থাকবে কমিটির। অনলাইন প্ল্যাটফর্মসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়মিত তদারকি এবং গোয়েন্দা ও আইন-শৃঙ্খলা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারেও কাজ করবে এই কমিটি। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর বা এনএসআই কমিটির সচিবালয় পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামোগত সহায়তা দেবে। তবে প্রয়োজনে অন্য কোনো গোয়েন্দা বা আইন-শৃঙ্খলা সংস্থাও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এ দায়িত্ব পালন করতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন