দেশের সব নাগরিকের জন্য সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন, ঈদে জমে উঠছে অনলাইন পশুর হাট, বাড়ছে ‘শরিকানা’ কোরবানির চাহিদা
সোমবার এ বিষয়ে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত একইসঙ্গে জানতে চেয়েছেন, সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বাস্তবায়নে তদারকি, পর্যবেক্ষণ ও দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য সরকারকে কেন আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না।
আরও পড়ুন, সিসা লাউঞ্জ বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ না মানায় ডিএমপি কমিশনারকে তলবের আবেদন
রুলে আরও বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে কেন এক মাসের মধ্যে একটি স্বাধীন কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হবে না, সেটিও ব্যাখ্যা করতে হবে সংশ্লিষ্টদের। এছাড়া সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বাস্তবায়নে একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের বিষয়ে কী ধরনের অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়ে তিন মাসের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন, মাজার হামলা মামলায় রিমান্ডে ৩ জন
আইনজীবীরা বলছেন, সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমানো, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কার্যকর নীতিমালা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। এই রুলের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে সরকারের নীতিগত উদ্যোগ, বাস্তবায়নের গতি এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিতের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
দেশের সব নাগরিকের জন্য সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন, ঈদে জমে উঠছে অনলাইন পশুর হাট, বাড়ছে ‘শরিকানা’ কোরবানির চাহিদা
সোমবার এ বিষয়ে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত একইসঙ্গে জানতে চেয়েছেন, সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বাস্তবায়নে তদারকি, পর্যবেক্ষণ ও দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য সরকারকে কেন আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না।
আরও পড়ুন, সিসা লাউঞ্জ বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ না মানায় ডিএমপি কমিশনারকে তলবের আবেদন
রুলে আরও বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে কেন এক মাসের মধ্যে একটি স্বাধীন কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হবে না, সেটিও ব্যাখ্যা করতে হবে সংশ্লিষ্টদের। এছাড়া সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বাস্তবায়নে একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের বিষয়ে কী ধরনের অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়ে তিন মাসের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন, মাজার হামলা মামলায় রিমান্ডে ৩ জন
আইনজীবীরা বলছেন, সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমানো, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কার্যকর নীতিমালা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। এই রুলের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে সরকারের নীতিগত উদ্যোগ, বাস্তবায়নের গতি এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিতের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন