জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এক রাতেই দুই কৃষকের গোয়ালঘর থেকে ৮টি গরু চুরির ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।জানা যায়, উপজেলার ৪নং বালিজুড়ী ইউনিয়নের পূর্ব সুখনগরী গ্রামের কৃষক মনির হোসেনের গোয়ালঘর থেকে গত রাতে ছোট-বড় মিলিয়ে ৫টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সকালে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালঘরে গরু না দেখে পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে পড়েন। পরে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।এদিকে একই রাতে মাদারগঞ্জ পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডের বানীকুঞ্জ এলাকার বাসিন্দা শাহ আলীর গোয়ালঘর থেকেও ৩টি গরু চুরির ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন , রাঙ্গুনিয়ায় শোকের মাতম, নিহত চার ভাইয়ের পরিবারকে সান্ত্বনা দিলেন হুমাম কাদের
ধারণা করা হচ্ছে, সংঘবদ্ধ চোরচক্র পরিকল্পিতভাবে এসব চুরি সংঘটিত করছে।স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরি, বসতবাড়িতে চুরি ও রাতের বেলায় সন্দেহজনক লোকজনের আনাগোনা বেড়েছে। কিন্তু চুরি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে চোরচক্র।ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, গরুগুলোই ছিল তাদের জীবিকার প্রধান অবলম্বন। এক রাতে এত বড় ক্ষতির মুখে পড়ে তারা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে গরু উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন তারা।এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল রাতের নিরাপত্তা জোরদার, টহল বৃদ্ধি এবং চোরচক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন , বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধ

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এক রাতেই দুই কৃষকের গোয়ালঘর থেকে ৮টি গরু চুরির ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।জানা যায়, উপজেলার ৪নং বালিজুড়ী ইউনিয়নের পূর্ব সুখনগরী গ্রামের কৃষক মনির হোসেনের গোয়ালঘর থেকে গত রাতে ছোট-বড় মিলিয়ে ৫টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সকালে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালঘরে গরু না দেখে পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে পড়েন। পরে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।এদিকে একই রাতে মাদারগঞ্জ পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডের বানীকুঞ্জ এলাকার বাসিন্দা শাহ আলীর গোয়ালঘর থেকেও ৩টি গরু চুরির ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন , রাঙ্গুনিয়ায় শোকের মাতম, নিহত চার ভাইয়ের পরিবারকে সান্ত্বনা দিলেন হুমাম কাদের
ধারণা করা হচ্ছে, সংঘবদ্ধ চোরচক্র পরিকল্পিতভাবে এসব চুরি সংঘটিত করছে।স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরি, বসতবাড়িতে চুরি ও রাতের বেলায় সন্দেহজনক লোকজনের আনাগোনা বেড়েছে। কিন্তু চুরি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে চোরচক্র।ভুক্তভোগী কৃষকরা জানান, গরুগুলোই ছিল তাদের জীবিকার প্রধান অবলম্বন। এক রাতে এত বড় ক্ষতির মুখে পড়ে তারা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে গরু উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন তারা।এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল রাতের নিরাপত্তা জোরদার, টহল বৃদ্ধি এবং চোরচক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন , বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধ

আপনার মতামত লিখুন