দেশের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে শক্তিশালী করার দাবি জোরালো হচ্ছে। এ তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ শিল্প পুলিশ, বাংলাদেশ নৌ পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এসব ইউনিট বর্তমানে সীমিত জনবল ও লজিস্টিক সহায়তা নিয়ে কাজ করছে। অথচ শিল্পাঞ্চল, নৌপথ, মহাসড়ক এবং পর্যটন খাতে নিরাপত্তা ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের রপ্তানিমুখী শিল্প, বিশেষ করে পোশাক খাত এবং নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্প্রসারণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিল্প পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।একইভাবে নদীপথে চোরাচালান, অপরাধ দমন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌ পুলিশের জনবল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি উঠেছে।
আরও পড়ুন ,ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা ,২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত
পর্যটন খাতের বিকাশের কারণে ট্যুরিস্ট পুলিশের ওপরও চাপ বাড়ছে। ফলে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।অন্যদিকে, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সম্প্রসারণের জন্য অতিরিক্ত ৫ হাজার জনবল এবং স্থায়ী অফিস ভবনের প্রস্তাব দিয়েছে। বর্তমানে সংস্থাটির জনবল ২ হাজার ৩১ জন এবং তারা দেশের ৪২টি জেলায় ভাড়া ভবনে কাজ করছে।পিবিআই প্রধান ও পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, জনবল ও অবকাঠামোগত সুবিধা বাড়ানোর জন্য ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও ট্যুরিস্ট পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, পর্যটন খাতের নিরাপত্তা ও দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় এ ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে শক্তিশালী করা গেলে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন , দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শনিবার চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রস্তুতি
বিষয় : নিরাপত্তা পুলিশ ইউনিট ক্রমবর্ধমান

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
দেশের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে শক্তিশালী করার দাবি জোরালো হচ্ছে। এ তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ শিল্প পুলিশ, বাংলাদেশ নৌ পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এসব ইউনিট বর্তমানে সীমিত জনবল ও লজিস্টিক সহায়তা নিয়ে কাজ করছে। অথচ শিল্পাঞ্চল, নৌপথ, মহাসড়ক এবং পর্যটন খাতে নিরাপত্তা ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের রপ্তানিমুখী শিল্প, বিশেষ করে পোশাক খাত এবং নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্প্রসারণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিল্প পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।একইভাবে নদীপথে চোরাচালান, অপরাধ দমন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌ পুলিশের জনবল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি উঠেছে।
আরও পড়ুন ,ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা ,২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত
পর্যটন খাতের বিকাশের কারণে ট্যুরিস্ট পুলিশের ওপরও চাপ বাড়ছে। ফলে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।অন্যদিকে, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সম্প্রসারণের জন্য অতিরিক্ত ৫ হাজার জনবল এবং স্থায়ী অফিস ভবনের প্রস্তাব দিয়েছে। বর্তমানে সংস্থাটির জনবল ২ হাজার ৩১ জন এবং তারা দেশের ৪২টি জেলায় ভাড়া ভবনে কাজ করছে।পিবিআই প্রধান ও পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, জনবল ও অবকাঠামোগত সুবিধা বাড়ানোর জন্য ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও ট্যুরিস্ট পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, পর্যটন খাতের নিরাপত্তা ও দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় এ ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে শক্তিশালী করা গেলে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন , দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শনিবার চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রস্তুতি

আপনার মতামত লিখুন