দেশের অন্যতম এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-কে আধুনিক ও আরও সক্ষম করার অংশ হিসেবে ১৬৩টি নতুন যানবাহন কেনার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের পর এ উদ্যোগ কার্যকর হচ্ছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১২২ কোটি টাকা।‘র্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় এসব যানবাহন কেনা হচ্ছে। প্রকল্পটি ২০১৮ সালে বিগত সরকারের সময়ে শুরু হয়। শুরুতে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৩৪ কোটি টাকা, পরে ২০৭ কোটি টাকা কমিয়ে ৮২৭ কোটি টাকায় পুনর্নির্ধারণ করা হয় এবং মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সাল পর্যন্ত করা হয়।প্রকল্পের আওতায় মোট ১ হাজার ৫৭০টি যানবাহন ও ১৩১টি সরঞ্জাম কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৮০৯টি যানবাহন এবং ১০১টি সরঞ্জাম সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে।
আরও পড়ুন , দেশের তিন অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস ,নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
গত ৭ মে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রস্তাবটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উপস্থাপন করে।তবে এই উদ্যোগকে ঘিরে রাজনৈতিক ও মানবাধিকার অঙ্গনে আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে গঠিত তদন্ত কমিশন র্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছিল। কমিশনের সদস্য নাবিলা ইদ্রিস বলেন, কম্বাইন্ড ফোর্স কাঠামোর কারণে আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকি থাকে, তাই বিশেষায়িত একক বাহিনী গঠনের পক্ষে তারা সুপারিশ করেছেন।একইভাবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং জাতিসংঘের প্রতিবেদনে র্যাবের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে বিলুপ্তির সুপারিশও করা হয়েছিল।অন্যদিকে র্যাবের মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, বাহিনীর ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত সরকারের বিষয়, তবে র্যাব জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এবং অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা কঠোরভাবে বজায় রাখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন ,ঈদ বাজার টার্গেটে, কোটি কোটি টাকার জাল নোট ছড়াচ্ছে চক্র
বিষয় : বাস্তবায়ন র্যাবের সক্ষমতা সক্ষম

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
দেশের অন্যতম এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-কে আধুনিক ও আরও সক্ষম করার অংশ হিসেবে ১৬৩টি নতুন যানবাহন কেনার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের পর এ উদ্যোগ কার্যকর হচ্ছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১২২ কোটি টাকা।‘র্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় এসব যানবাহন কেনা হচ্ছে। প্রকল্পটি ২০১৮ সালে বিগত সরকারের সময়ে শুরু হয়। শুরুতে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৩৪ কোটি টাকা, পরে ২০৭ কোটি টাকা কমিয়ে ৮২৭ কোটি টাকায় পুনর্নির্ধারণ করা হয় এবং মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সাল পর্যন্ত করা হয়।প্রকল্পের আওতায় মোট ১ হাজার ৫৭০টি যানবাহন ও ১৩১টি সরঞ্জাম কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৮০৯টি যানবাহন এবং ১০১টি সরঞ্জাম সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে।
আরও পড়ুন , দেশের তিন অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস ,নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
গত ৭ মে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রস্তাবটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উপস্থাপন করে।তবে এই উদ্যোগকে ঘিরে রাজনৈতিক ও মানবাধিকার অঙ্গনে আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে। গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে গঠিত তদন্ত কমিশন র্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছিল। কমিশনের সদস্য নাবিলা ইদ্রিস বলেন, কম্বাইন্ড ফোর্স কাঠামোর কারণে আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকি থাকে, তাই বিশেষায়িত একক বাহিনী গঠনের পক্ষে তারা সুপারিশ করেছেন।একইভাবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং জাতিসংঘের প্রতিবেদনে র্যাবের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে বিলুপ্তির সুপারিশও করা হয়েছিল।অন্যদিকে র্যাবের মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, বাহিনীর ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত সরকারের বিষয়, তবে র্যাব জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এবং অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা কঠোরভাবে বজায় রাখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন ,ঈদ বাজার টার্গেটে, কোটি কোটি টাকার জাল নোট ছড়াচ্ছে চক্র

আপনার মতামত লিখুন