কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল টাকার চক্র। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গোপনে তৈরি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার জাল নোট। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, গরুর হাটকে কেন্দ্র করে বড় অঙ্কের লেনদেন হওয়ায় ঈদ মৌসুমকে সবচেয়ে বড় সুযোগ হিসেবে নিচ্ছে কারবারিরা।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একের পর এক অভিযানে ধরা পড়ছে জাল টাকার কারিগররা। র্যাব ও ডিবির সাম্প্রতিক অভিযানে রাজধানীর মতিঝিল, উত্তরা, গাজীপুর, গুলশান, তুরাগসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে কোটি টাকার জাল নোট ও তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া অনেকেই আগেও একই অপরাধে আটক হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন , বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সহযোগিতা চুক্তি, ওয়াশিংটনে এমওইউ স্বাক্ষর
গোয়েন্দা সূত্র বলছে, বর্তমানে অত্যাধুনিক প্রিন্টার, জলছাপ প্রযুক্তি ও বিশেষ গামের মাধ্যমে এত সূক্ষ্মভাবে জাল নোট তৈরি হচ্ছে যে সাধারণ মানুষের পক্ষে আসল-নকল বোঝা কঠিন হয়ে পড়ছে। সবচেয়ে বেশি তৈরি হচ্ছে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট।এদিকে সামাজিক মাধ্যম ও অনলাইন হোম ডেলিভারি সার্ভিস ব্যবহার করে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে জাল টাকা। মাত্র ৬ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে লাখ টাকার জাল নোট—এমন তথ্যও উঠে এসেছে গোয়েন্দাদের তদন্তে।অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, দুর্বল নজরদারি, সহজে সরঞ্জাম পাওয়া এবং জামিনে বের হয়ে আবার অপরাধে জড়ানো—এসব কারণে থামছে না জাল টাকার বিস্তার। তবে সরকার কঠোর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
আরও পড়ুন , নিষেধাজ্ঞার মাঝেই চীন সফরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বিষয় : প্রার্থী সক্রিয় জাল নোট ঈদ বাজার

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল টাকার চক্র। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গোপনে তৈরি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার জাল নোট। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, গরুর হাটকে কেন্দ্র করে বড় অঙ্কের লেনদেন হওয়ায় ঈদ মৌসুমকে সবচেয়ে বড় সুযোগ হিসেবে নিচ্ছে কারবারিরা।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একের পর এক অভিযানে ধরা পড়ছে জাল টাকার কারিগররা। র্যাব ও ডিবির সাম্প্রতিক অভিযানে রাজধানীর মতিঝিল, উত্তরা, গাজীপুর, গুলশান, তুরাগসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে কোটি টাকার জাল নোট ও তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া অনেকেই আগেও একই অপরাধে আটক হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন , বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সহযোগিতা চুক্তি, ওয়াশিংটনে এমওইউ স্বাক্ষর
গোয়েন্দা সূত্র বলছে, বর্তমানে অত্যাধুনিক প্রিন্টার, জলছাপ প্রযুক্তি ও বিশেষ গামের মাধ্যমে এত সূক্ষ্মভাবে জাল নোট তৈরি হচ্ছে যে সাধারণ মানুষের পক্ষে আসল-নকল বোঝা কঠিন হয়ে পড়ছে। সবচেয়ে বেশি তৈরি হচ্ছে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট।এদিকে সামাজিক মাধ্যম ও অনলাইন হোম ডেলিভারি সার্ভিস ব্যবহার করে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে জাল টাকা। মাত্র ৬ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে লাখ টাকার জাল নোট—এমন তথ্যও উঠে এসেছে গোয়েন্দাদের তদন্তে।অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, দুর্বল নজরদারি, সহজে সরঞ্জাম পাওয়া এবং জামিনে বের হয়ে আবার অপরাধে জড়ানো—এসব কারণে থামছে না জাল টাকার বিস্তার। তবে সরকার কঠোর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
আরও পড়ুন , নিষেধাজ্ঞার মাঝেই চীন সফরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপনার মতামত লিখুন