দেশে নিখোঁজ ব্যক্তির জিডি ও অজ্ঞাত লাশ শনাক্তের প্রক্রিয়া আরও কার্যকর ও সমন্বিত করতে জাতীয় পর্যায়ে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ তৈরির প্রস্তাব উঠেছে। এতে প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত সহজ হবে এবং বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। পুলিশ সপ্তাহের চতুর্থ দিনে বুধবার (১৩ মে) আইজিপির সঙ্গে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের বৈঠকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
আরও পড়ুন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য আসছে নবম জাতীয় বেতন কাঠামো
প্রস্তাব অনুযায়ী, নিখোঁজ ব্যক্তির জিডি, অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার এবং ডিএনএ ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংরক্ষণকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। এতে বিভিন্ন সংস্থা—পিবিআই, সিআইডি, এসবি, র্যাব ও পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য একক প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষিত থাকবে। পিবিআই প্রধান মোস্তফা কামাল জানান, অজ্ঞাত লাশের পরিচয় শনাক্ত করে স্বজনের কাছে পৌঁছে দেওয়া একটি নৈতিক দায়িত্ব। এ জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আইজিপি এতে সম্মতি জানিয়ে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন, কেরানীগঞ্জের অসুস্থ শিশু নূর নাহারের পাশে জুবাইদা রহমান
সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত মরদেহের ডিএনএ নমুনা সিআইডি সংরক্ষণ করে। পাশাপাশি এনআইডি ডেটাবেজ ও মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমেও অনেক পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তবে সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে পরিচয় শনাক্তে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। পিবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে হাজারেরও বেশি অজ্ঞাত লাশ শনাক্ত করা সম্ভব হলেও এখনও কয়েক হাজার মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়নি।
আরও পড়ুন, লঘুচাপের প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টি, আরও চারদিন বাড়ার পূর্বাভাস
কর্মকর্তারা বলছেন, বয়স, শারীরিক পেশাগত কারণে আঙুলের ছাপ ক্ষয়, দুর্ঘটনা, পচন বা আগুনে পোড়া লাশের ক্ষেত্রে ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্তে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়। এ কারণে ডিএনএসহ একাধিক প্রযুক্তিগত পদ্ধতি একসঙ্গে ব্যবহার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বৈঠকে আরও প্রস্তাব আসে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের ছবি, তথ্য ও অজ্ঞাত লাশের ডাটাবেজ থানা থেকে শুরু করে সব ইউনিটে একীভূতভাবে ব্যবহারের সুযোগ রাখতে হবে, যাতে স্বজনরা সহজে তথ্য খুঁজে পেতে পারেন।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
দেশে নিখোঁজ ব্যক্তির জিডি ও অজ্ঞাত লাশ শনাক্তের প্রক্রিয়া আরও কার্যকর ও সমন্বিত করতে জাতীয় পর্যায়ে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ তৈরির প্রস্তাব উঠেছে। এতে প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত সহজ হবে এবং বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। পুলিশ সপ্তাহের চতুর্থ দিনে বুধবার (১৩ মে) আইজিপির সঙ্গে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের বৈঠকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
আরও পড়ুন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য আসছে নবম জাতীয় বেতন কাঠামো
প্রস্তাব অনুযায়ী, নিখোঁজ ব্যক্তির জিডি, অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার এবং ডিএনএ ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংরক্ষণকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। এতে বিভিন্ন সংস্থা—পিবিআই, সিআইডি, এসবি, র্যাব ও পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য একক প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষিত থাকবে। পিবিআই প্রধান মোস্তফা কামাল জানান, অজ্ঞাত লাশের পরিচয় শনাক্ত করে স্বজনের কাছে পৌঁছে দেওয়া একটি নৈতিক দায়িত্ব। এ জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আইজিপি এতে সম্মতি জানিয়ে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন, কেরানীগঞ্জের অসুস্থ শিশু নূর নাহারের পাশে জুবাইদা রহমান
সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত মরদেহের ডিএনএ নমুনা সিআইডি সংরক্ষণ করে। পাশাপাশি এনআইডি ডেটাবেজ ও মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমেও অনেক পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তবে সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে পরিচয় শনাক্তে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। পিবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে হাজারেরও বেশি অজ্ঞাত লাশ শনাক্ত করা সম্ভব হলেও এখনও কয়েক হাজার মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়নি।
আরও পড়ুন, লঘুচাপের প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টি, আরও চারদিন বাড়ার পূর্বাভাস
কর্মকর্তারা বলছেন, বয়স, শারীরিক পেশাগত কারণে আঙুলের ছাপ ক্ষয়, দুর্ঘটনা, পচন বা আগুনে পোড়া লাশের ক্ষেত্রে ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্তে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়। এ কারণে ডিএনএসহ একাধিক প্রযুক্তিগত পদ্ধতি একসঙ্গে ব্যবহার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বৈঠকে আরও প্রস্তাব আসে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের ছবি, তথ্য ও অজ্ঞাত লাশের ডাটাবেজ থানা থেকে শুরু করে সব ইউনিটে একীভূতভাবে ব্যবহারের সুযোগ রাখতে হবে, যাতে স্বজনরা সহজে তথ্য খুঁজে পেতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন