সারাদেশের ভূমি মালিকদের আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বকেয়াসহ চলতি অর্থবছরের ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি জারি করা এক জরুরি নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে জমির সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতা এড়াতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর পরিশোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নাগরিকরা এখন ঘরে বসেই অনলাইনে খাজনা পরিশোধ করতে পারবেন। এ জন্য land.gov.bd ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে। নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথমে নির্ধারিত পোর্টালে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর খতিয়ান ও জোতসংক্রান্ত তথ্য প্রদান করলে করের পরিমাণ জানা যাবে। পরবর্তীতে মোবাইল ব্যাংকিং, কার্ডসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা যাবে।
সরকারি অর্থবছর ৩০ জুন শেষ হওয়ায় ওই সময়ের মধ্যেই বকেয়া খাজনা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত চার্জ বা আইনি জটিলতার মুখে পড়তে হতে পারে বলে সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।
ভূমি মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, অনলাইন ব্যবস্থা চালুর ফলে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন কমবে। এতে সময় ও খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি স্বচ্ছতা বাড়বে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিষয় : ভূমি উন্নয়ন কর নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
সারাদেশের ভূমি মালিকদের আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বকেয়াসহ চলতি অর্থবছরের ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি জারি করা এক জরুরি নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে জমির সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতা এড়াতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর পরিশোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নাগরিকরা এখন ঘরে বসেই অনলাইনে খাজনা পরিশোধ করতে পারবেন। এ জন্য land.gov.bd ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে। নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথমে নির্ধারিত পোর্টালে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর খতিয়ান ও জোতসংক্রান্ত তথ্য প্রদান করলে করের পরিমাণ জানা যাবে। পরবর্তীতে মোবাইল ব্যাংকিং, কার্ডসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করা যাবে।
সরকারি অর্থবছর ৩০ জুন শেষ হওয়ায় ওই সময়ের মধ্যেই বকেয়া খাজনা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত চার্জ বা আইনি জটিলতার মুখে পড়তে হতে পারে বলে সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।
ভূমি মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, অনলাইন ব্যবস্থা চালুর ফলে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন কমবে। এতে সময় ও খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি স্বচ্ছতা বাড়বে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন