মঙ্গলবার কারা অধিদপ্তরের এআইজি (উন্নয়ন ও মিডিয়া) জান্নাত উল ফরহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জানা গেছে, যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা ওই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর এম তরিকুল ইসলাম কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন। পরে তার পক্ষে আদালতে বিয়ের অনুমতির আবেদন করা হলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কারাগারের সিনিয়র জেল সুপারের উপস্থিতিতে ধর্মীয় বিধান অনুসরণ করে কাজির মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় এবং পরে তা রেজিস্ট্রিও করা হয়।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সব ধরনের আইনগত প্রক্রিয়া ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সম্পূর্ণ বিধি মেনে এই বিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ঘটনায় কারাগারের ভেতরে এমন বিয়ে ঘিরে আইনগত দিক ও সামাজিক আলোচনাও তৈরি হয়েছে।
বিষয় : কেরানীগঞ্জ বিয়ে মামলা গ্রেপ্তার

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
মঙ্গলবার কারা অধিদপ্তরের এআইজি (উন্নয়ন ও মিডিয়া) জান্নাত উল ফরহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জানা গেছে, যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা ওই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর এম তরিকুল ইসলাম কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন। পরে তার পক্ষে আদালতে বিয়ের অনুমতির আবেদন করা হলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কারাগারের সিনিয়র জেল সুপারের উপস্থিতিতে ধর্মীয় বিধান অনুসরণ করে কাজির মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় এবং পরে তা রেজিস্ট্রিও করা হয়।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সব ধরনের আইনগত প্রক্রিয়া ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সম্পূর্ণ বিধি মেনে এই বিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ঘটনায় কারাগারের ভেতরে এমন বিয়ে ঘিরে আইনগত দিক ও সামাজিক আলোচনাও তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন