পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। ঢাকা টেস্টে ১০৪ রানের দারুণ জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে টাইগাররা। এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টানা তৃতীয় টেস্ট জয়, যা দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন মাইলফলক হিসেবে ধরা হচ্ছে।মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ১০১ রানের সেঞ্চুরি, মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিমের ফিফটির ওপর ভর করে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করে ৪১৩ রান।
আরও পড়ুন , ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন এস্তেভাও উইলিয়ান
জবাবে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৬৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ৫ উইকেট, তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম নেন ২টি করে উইকেট।দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ২৪০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে, ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬৮ রান।কিন্তু চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত তারা অলআউট হয় ১৬৩ রানে। বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা একাই নেন ৫ উইকেট, যা জয়ের মূল নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়।এই জয়ের মাধ্যমে দুই ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে আগামী ১৬ মে সিলেটে।ক্রিকেট বিশ্লেষকরা বলছেন, এই জয় বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় অর্জন হিসেবে জায়গা করে নেবে।
আরও পড়ুন , মিরপুর টেস্টে নাটকীয় পতন, পাকিস্তানের সামনে ২৬৮ রানের লক্ষ্য
বিষয় : ক্রিকেট বাংলাদেশ ঐতিহাসিক জয়

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। ঢাকা টেস্টে ১০৪ রানের দারুণ জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে টাইগাররা। এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টানা তৃতীয় টেস্ট জয়, যা দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন মাইলফলক হিসেবে ধরা হচ্ছে।মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ১০১ রানের সেঞ্চুরি, মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিমের ফিফটির ওপর ভর করে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করে ৪১৩ রান।
আরও পড়ুন , ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন এস্তেভাও উইলিয়ান
জবাবে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৬৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ৫ উইকেট, তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম নেন ২টি করে উইকেট।দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ২৪০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে, ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬৮ রান।কিন্তু চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত তারা অলআউট হয় ১৬৩ রানে। বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা একাই নেন ৫ উইকেট, যা জয়ের মূল নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়।এই জয়ের মাধ্যমে দুই ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে আগামী ১৬ মে সিলেটে।ক্রিকেট বিশ্লেষকরা বলছেন, এই জয় বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় অর্জন হিসেবে জায়গা করে নেবে।
আরও পড়ুন , মিরপুর টেস্টে নাটকীয় পতন, পাকিস্তানের সামনে ২৬৮ রানের লক্ষ্য

আপনার মতামত লিখুন