বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে গুলি ও রক্তপাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।রোববার ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিল-২০২৬ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন—এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না।”রিজভী বলেন, ভারতের নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু সীমান্তে বাংলাদেশিদের ওপর বারবার গুলি চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি প্রশ্ন রাখেন— “সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে?”
আরও পড়ুন, রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারে কোনো আপস নয়: এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ
সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বাংলাদেশিকে গুলি করার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এ ধরনের আচরণ ভারতের সাধারণ মানুষও সমর্থন করে না। বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী ও ইতিবাচক সম্পর্ক গড়তে হলে দিল্লিকে সহিংস মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।অনুষ্ঠানে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ভূয়সী প্রশংসা করে রিজভী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণে তাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচিত সরকার উন্নয়ন ও উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে মূল্যায়ন করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে রিজভী বলেন, তিনি জনগণের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস কাজ করছেন। পাশাপাশি অতীতের মতো “ফাঁপা প্রতিশ্রুতি” না দিয়ে বাস্তবভিত্তিক উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়েই সরকার এগোচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি
বিষয় : সীমান্ত রক্তপাত বন্ধুত্বপূর্ণ

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে গুলি ও রক্তপাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।রোববার ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিল-২০২৬ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন—এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না।”রিজভী বলেন, ভারতের নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু সীমান্তে বাংলাদেশিদের ওপর বারবার গুলি চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি প্রশ্ন রাখেন— “সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে?”
আরও পড়ুন, রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারে কোনো আপস নয়: এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ
সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বাংলাদেশিকে গুলি করার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এ ধরনের আচরণ ভারতের সাধারণ মানুষও সমর্থন করে না। বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী ও ইতিবাচক সম্পর্ক গড়তে হলে দিল্লিকে সহিংস মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।অনুষ্ঠানে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ভূয়সী প্রশংসা করে রিজভী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণে তাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচিত সরকার উন্নয়ন ও উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে মূল্যায়ন করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে রিজভী বলেন, তিনি জনগণের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস কাজ করছেন। পাশাপাশি অতীতের মতো “ফাঁপা প্রতিশ্রুতি” না দিয়ে বাস্তবভিত্তিক উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়েই সরকার এগোচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি

আপনার মতামত লিখুন