ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মথুরা (বিএডিসি) খামারের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে নিম্নমানের ইট, বালু, পাথর আর রড ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইসতিয়াক কনস্ট্রাকসন মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া ইউনিয়নের মথুরা কৃষি খামারে ৫৭৫ মিটার সীমানা প্রাচীর নির্মাণের নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খামারের কয়েকজন শ্রমিক জানান, নিম্নমানের কাজ হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যেন মুখে কুলুক আটকে আছেন। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম খোবের সৃষ্টি হলেও ভয়তে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে প্রাচীর নির্মাণে। যার মধ্যে বেশিভাগই ২ নম্বর ইট ও বালিটাও কমা। আর এইসব নিম্নমানের ইট প্রকাশ্যেই ব্যবহার করছেন প্রাচীর নির্মাণে। তবে স্থানীয়রা একাধিকবার বাধা দিলেও তাদের কোন কথাই শুনেননি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
আরও পড়ুন, মহেশপুর সীমান্তে নিহত আফগান নাগরিকের লাশ লন্ডনে নিয়ে যেতে এলো বড় ভাই
এবিষয়ে সাংবাদিকরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এ বিষয়ে অবগত করলে নিম্নমানের ইট সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানান। কিন্তু কয়েকদিন পর গিয়েও দেখা যায় সেই নিম্নমানের ইট, বালু নিয়েই কাজ চলছে। এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত ম্যানেজার রেজা হোসেন নিম্নমানের ইট ও বালির কথা অস্বীকার করে বলেন এ সমস্ত মালামাল গুলো এখান থেকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন, ঈশ্বরদীতে লোডশেডিং এ বিপর্যস্ত জনজীবন, চাহিদার অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ নিয়ে চলছে ৫ টি স্টেশন
বিএডিসির প্রকৌশলী মোঃ মামুন বলেন,মথুরা ফার্মে যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ করছে আমি সেখানে পরিদর্শন করি এবং সেখানে যেয়ে দেখতে পায় কাজের সাইডে যে ইট ব্যবহার করা হচ্ছে সে ইট গুলো নিম্নমানের হওয়ায় ইট গুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মথুরা (বিএডিসি) খামারের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে নিম্নমানের ইট, বালু, পাথর আর রড ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইসতিয়াক কনস্ট্রাকসন মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া ইউনিয়নের মথুরা কৃষি খামারে ৫৭৫ মিটার সীমানা প্রাচীর নির্মাণের নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খামারের কয়েকজন শ্রমিক জানান, নিম্নমানের কাজ হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যেন মুখে কুলুক আটকে আছেন। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম খোবের সৃষ্টি হলেও ভয়তে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে প্রাচীর নির্মাণে। যার মধ্যে বেশিভাগই ২ নম্বর ইট ও বালিটাও কমা। আর এইসব নিম্নমানের ইট প্রকাশ্যেই ব্যবহার করছেন প্রাচীর নির্মাণে। তবে স্থানীয়রা একাধিকবার বাধা দিলেও তাদের কোন কথাই শুনেননি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
আরও পড়ুন, মহেশপুর সীমান্তে নিহত আফগান নাগরিকের লাশ লন্ডনে নিয়ে যেতে এলো বড় ভাই
এবিষয়ে সাংবাদিকরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এ বিষয়ে অবগত করলে নিম্নমানের ইট সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানান। কিন্তু কয়েকদিন পর গিয়েও দেখা যায় সেই নিম্নমানের ইট, বালু নিয়েই কাজ চলছে। এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত ম্যানেজার রেজা হোসেন নিম্নমানের ইট ও বালির কথা অস্বীকার করে বলেন এ সমস্ত মালামাল গুলো এখান থেকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন, ঈশ্বরদীতে লোডশেডিং এ বিপর্যস্ত জনজীবন, চাহিদার অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ নিয়ে চলছে ৫ টি স্টেশন
বিএডিসির প্রকৌশলী মোঃ মামুন বলেন,মথুরা ফার্মে যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ করছে আমি সেখানে পরিদর্শন করি এবং সেখানে যেয়ে দেখতে পায় কাজের সাইডে যে ইট ব্যবহার করা হচ্ছে সে ইট গুলো নিম্নমানের হওয়ায় ইট গুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন