বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) বিভিন্ন অফিসে ঘুষ ও দালাল বাণিজ্য চলমান থাকার অভিযোগ উঠেছে।বিশেষ করে ঢাকার সাভার ও ইকুরিয়া অফিসে ঘুষ ছাড়া সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করছেন সেবাপ্রার্থীরা।অভিযোগ অনুযায়ী, দালাল চক্রের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির ফিটনেস ও নিবন্ধনসহ বিভিন্ন সেবা দ্রুত সম্পন্ন করা হলেও সরাসরি আবেদনকারীরা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
আরো পড়ুন , বর্ষার আগেই শঙ্কা: পাঁচ স্তরের ভাঙনে ডুবে যাওয়ার পথে ঢাকা
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তায় দালালরা অফিসের ভেতর থেকেই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।তবে বিআরটিএ সদর কার্যালয় বলছে, অনেক সেবা এখন অনলাইনে দেওয়া হলেও একটি অংশ এখনো দালালদের মাধ্যমে প্রভাবিত হচ্ছে।এদিকে ভুক্তভোগীরা বলছেন, ঘুষ না দিলে মাসের পর মাস ঘুরতে হচ্ছে অফিসে।অভিযোগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিষয় : অভিযোগ ঘুষ গ্রহণ জনভোগান্তি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) বিভিন্ন অফিসে ঘুষ ও দালাল বাণিজ্য চলমান থাকার অভিযোগ উঠেছে।বিশেষ করে ঢাকার সাভার ও ইকুরিয়া অফিসে ঘুষ ছাড়া সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করছেন সেবাপ্রার্থীরা।অভিযোগ অনুযায়ী, দালাল চক্রের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির ফিটনেস ও নিবন্ধনসহ বিভিন্ন সেবা দ্রুত সম্পন্ন করা হলেও সরাসরি আবেদনকারীরা দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
আরো পড়ুন , বর্ষার আগেই শঙ্কা: পাঁচ স্তরের ভাঙনে ডুবে যাওয়ার পথে ঢাকা
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তায় দালালরা অফিসের ভেতর থেকেই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।তবে বিআরটিএ সদর কার্যালয় বলছে, অনেক সেবা এখন অনলাইনে দেওয়া হলেও একটি অংশ এখনো দালালদের মাধ্যমে প্রভাবিত হচ্ছে।এদিকে ভুক্তভোগীরা বলছেন, ঘুষ না দিলে মাসের পর মাস ঘুরতে হচ্ছে অফিসে।অভিযোগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন