দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!

অবৈধ স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযানের পরও থামেনি বাহারের নেটওয়ার্ক!

গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীন

গুলশানে স্পা সেন্টারে অভিযান: মালিকসহ নারী সিন্ডিকেট গ্রেফতার ও মামলা প্রক্রিয়াধীন

 কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা, (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে (চেতনানাশক বিষাক্ত হালুয়া ও বিষাক্ত হালুয়া তৈরির উপকরণ)সহ ০৩ জন গ্রেফতার

মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা, (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে (চেতনানাশক বিষাক্ত হালুয়া ও বিষাক্ত হালুয়া তৈরির উপকরণ)সহ ০৩ জন গ্রেফতার

চকরিয়ায়  আপন ছেলের  হাতে পিতা নিহত: মাদকের ছোবলের খেসারত

চকরিয়ায় আপন ছেলের হাতে পিতা নিহত: মাদকের ছোবলের খেসারত

রামিসা হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানা: গ্রামের নীরব লজ্জা ও অপরাধের পেছনের গল্প

রামিসা হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানা: গ্রামের নীরব লজ্জা ও অপরাধের পেছনের গল্প

গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্ক

গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্ক

উত্তরায় পুলিশের নাকের ডগায় গ্রান্ড প্লাজায় সোহেলের অসামাজিক কার্যক্রম

উত্তরায় পুলিশের নাকের ডগায় গ্রান্ড প্লাজায় সোহেলের অসামাজিক কার্যক্রম

শেরেবাংলায় ইসমাইলের ছত্রছায়ায় অবৈধ হোটেল বাণিজ্য?

শেরেবাংলায় ইসমাইলের ছত্রছায়ায় অবৈধ হোটেল বাণিজ্য?
শেরেবাংলায় ইসমাইলের ছত্রছায়ায় অবৈধ হোটেল বাণিজ্য?

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন শ্যামলী এলাকায় একাধিক আবাসিক হোটেলকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নারী ও মাদক সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ‘হোটেল শেরেবাংলা’, ‘হোটেল একতা’সহ বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি সুসংগঠিত অবৈধ নেটওয়ার্ক, যার নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন ইসমাইল নামের এক ব্যক্তি। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় পরিচালিত হওয়ায় এসব কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না প্রশাসনকে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, শ্যামলীর ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় গড়ে ওঠা এসব আবাসিক হোটেল বাইরে থেকে সাধারণ মনে হলেও ভেতরে চলে নানা ধরনের অসামাজিক কার্যক্রম। নারী সরবরাহ, মাদক লেনদেন এবং অবৈধ আর্থিক লেনদেন—সবকিছুরই অভিযোগ রয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এখানে কী হয়, সেটা এলাকার সবাই জানে। কিন্তু কেউ মুখ খুলতে চায় না। কারণ, যারা এসব চালায় তারা প্রভাবশালী। অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা ইসমাইল সম্পর্কে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় হোটেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি একাধিক হোটেলের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং গড়ে তোলেন একটি সিন্ডিকেট। স্থানীয়দের দাবি, তার নির্দেশনায়ই এসব হোটেলে নারী ও মাদক ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে।

একাধিক সূত্র জানায়, ইসমাইল নিজে সরাসরি সামনে না এলেও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা হোটেলগুলো পরিচালনা করে। প্রতিটি হোটেলে নির্দিষ্ট লোক নিয়োগ দিয়ে পুরো কার্যক্রম তদারকি করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, এসব হোটেলকে কেন্দ্র করে একটি সক্রিয় নারী সিন্ডিকেট কাজ করছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দরিদ্র ও অসহায় নারীদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে রাজধানীতে এনে এসব হোটেলে রাখা হয়। পরে তাদের বাধ্য করা হয় অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়াতে। ভুক্তভোগীদের দাবি, একবার এই চক্রে জড়িয়ে পড়লে বের হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। পালানোর চেষ্টা করলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। একজন সাবেক কর্মী বলেন, আমাদের বলা হয়েছিল রিসেপশন বা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ দেওয়া হবে। কিন্তু পরে বুঝলাম অন্য উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে। বের হতে চাইলে মারধর করা হয়। নারী সিন্ডিকেটের পাশাপাশি এসব হোটেলে মাদক বাণিজ্যও চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সরবরাহ ও সেবনের জন্য হোটেলগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন, রাজধানীতে মোবাইল কোর্টে অনিয়ম ও চাঁদাবাজি

একজন দোকানদার বলেন, রাত বাড়লেই অচেনা মানুষের আনাগোনা বেড়ে যায়। অনেক সময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় লোকজনকে বের হতে দেখা যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব হোটেলকে কেন্দ্র করে প্রায়ই মব সহিংসতার ঘটনাও ঘটে। কোনো ঘটনা ঘটলেই দ্রুত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। কিছু ক্ষেত্রে হোটেলের ভেতরে ঘটে যাওয়া ঘটনার জের ধরে বাইরে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। এতে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। এত অভিযোগ ও ঘটনার পরও কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না—এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। একজন সচেতন নাগরিক বলেন, মাঝে মাঝে অভিযান হয়, কিন্তু তাতে কোনো পরিবর্তন আসে না। কয়েকদিন পর আবার আগের মতোই সব শুরু হয়ে যায়। শেরেবাংলা নগর থানার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অভিযোগের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা বলেন, কোনো ধরনের অপরাধ বরদাশত করা হবে না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন, রাজধানীতে আক্তারের আবাসিক হোটেল সিন্ডিকেট বিস্তার

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়; বরং এটি পুরো সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তরুণ সমাজ মাদকের দিকে ঝুঁকছে এবং অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। এই ধরনের সিন্ডিকেট ভেঙে না দিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। এলাকাবাসী ও সচেতন মহল দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব অবৈধ হোটেলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তারা চান, রাজধানীর শ্যামলীতে আবাসিক হোটেলের আড়ালে গড়ে ওঠা এই সিন্ডিকেট আইনশৃঙ্খলার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমেই কেবল এই অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এবিষয়ে ইসমাইলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

বিষয় : অবৈধ আবাসিক হোটেল বাণিজ্য শেরেবাংলা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬


শেরেবাংলায় ইসমাইলের ছত্রছায়ায় অবৈধ হোটেল বাণিজ্য?

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন শ্যামলী এলাকায় একাধিক আবাসিক হোটেলকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নারী ও মাদক সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ‘হোটেল শেরেবাংলা’, ‘হোটেল একতা’সহ বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি সুসংগঠিত অবৈধ নেটওয়ার্ক, যার নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন ইসমাইল নামের এক ব্যক্তি। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় পরিচালিত হওয়ায় এসব কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না প্রশাসনকে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, শ্যামলীর ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় গড়ে ওঠা এসব আবাসিক হোটেল বাইরে থেকে সাধারণ মনে হলেও ভেতরে চলে নানা ধরনের অসামাজিক কার্যক্রম। নারী সরবরাহ, মাদক লেনদেন এবং অবৈধ আর্থিক লেনদেন—সবকিছুরই অভিযোগ রয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এখানে কী হয়, সেটা এলাকার সবাই জানে। কিন্তু কেউ মুখ খুলতে চায় না। কারণ, যারা এসব চালায় তারা প্রভাবশালী। অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা ইসমাইল সম্পর্কে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় হোটেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি একাধিক হোটেলের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং গড়ে তোলেন একটি সিন্ডিকেট। স্থানীয়দের দাবি, তার নির্দেশনায়ই এসব হোটেলে নারী ও মাদক ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে।

একাধিক সূত্র জানায়, ইসমাইল নিজে সরাসরি সামনে না এলেও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা হোটেলগুলো পরিচালনা করে। প্রতিটি হোটেলে নির্দিষ্ট লোক নিয়োগ দিয়ে পুরো কার্যক্রম তদারকি করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, এসব হোটেলকে কেন্দ্র করে একটি সক্রিয় নারী সিন্ডিকেট কাজ করছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দরিদ্র ও অসহায় নারীদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে রাজধানীতে এনে এসব হোটেলে রাখা হয়। পরে তাদের বাধ্য করা হয় অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়াতে। ভুক্তভোগীদের দাবি, একবার এই চক্রে জড়িয়ে পড়লে বের হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। পালানোর চেষ্টা করলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। একজন সাবেক কর্মী বলেন, আমাদের বলা হয়েছিল রিসেপশন বা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ দেওয়া হবে। কিন্তু পরে বুঝলাম অন্য উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে। বের হতে চাইলে মারধর করা হয়। নারী সিন্ডিকেটের পাশাপাশি এসব হোটেলে মাদক বাণিজ্যও চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সরবরাহ ও সেবনের জন্য হোটেলগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন, রাজধানীতে মোবাইল কোর্টে অনিয়ম ও চাঁদাবাজি

একজন দোকানদার বলেন, রাত বাড়লেই অচেনা মানুষের আনাগোনা বেড়ে যায়। অনেক সময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় লোকজনকে বের হতে দেখা যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব হোটেলকে কেন্দ্র করে প্রায়ই মব সহিংসতার ঘটনাও ঘটে। কোনো ঘটনা ঘটলেই দ্রুত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। কিছু ক্ষেত্রে হোটেলের ভেতরে ঘটে যাওয়া ঘটনার জের ধরে বাইরে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। এতে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। এত অভিযোগ ও ঘটনার পরও কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না—এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। একজন সচেতন নাগরিক বলেন, মাঝে মাঝে অভিযান হয়, কিন্তু তাতে কোনো পরিবর্তন আসে না। কয়েকদিন পর আবার আগের মতোই সব শুরু হয়ে যায়। শেরেবাংলা নগর থানার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অভিযোগের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা বলেন, কোনো ধরনের অপরাধ বরদাশত করা হবে না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন, রাজধানীতে আক্তারের আবাসিক হোটেল সিন্ডিকেট বিস্তার

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়; বরং এটি পুরো সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তরুণ সমাজ মাদকের দিকে ঝুঁকছে এবং অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। এই ধরনের সিন্ডিকেট ভেঙে না দিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। এলাকাবাসী ও সচেতন মহল দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব অবৈধ হোটেলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তারা চান, রাজধানীর শ্যামলীতে আবাসিক হোটেলের আড়ালে গড়ে ওঠা এই সিন্ডিকেট আইনশৃঙ্খলার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমেই কেবল এই অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এবিষয়ে ইসমাইলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত