দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৫৬৬, খুলনায় সতর্কতা জোরদার

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৫৬৬, খুলনায় সতর্কতা জোরদার
খুলনার ৬টি সংসদীয় আসনের মোট ৮৪০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৬৬টিকে ঝুঁকিপূর্ণ

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ৬টি সংসদীয় আসনের মোট ৮৪০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৬৬টিকে ঝুঁকিপূর্ণ বা ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। জেলা পুলিশ ও মেট্রোপলিটন পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট কেন্দ্রের প্রায় ৬৭ শতাংশই এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত। এসব কেন্দ্রে সুষ্ঠু ভোটদান নিশ্চিত করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি দায়িত্বপালনকারী পুলিশ সদস্যদের শরীরে ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

আসনভিত্তিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, খুলনার ৬টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে খুলনা-৬ আসন, যেখানে ৮৩ দশমিক ২২ শতাংশ কেন্দ্রই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। এর বিপরীতে খুলনা মহানগরীর আংশিক এলাকা নিয়ে গঠিত খুলনা-৩ আসনে ঝুঁকির মাত্রা তুলনামূলক কম, যা প্রায় ৪৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। 


আরো পড়ুন , পোস্টাল ভোটের ধোঁয়াশা ঘিরে কক্সবাজার গণনা আগামীকাল


অন্যান্য আসনের মধ্যে খুলনা-১ আসনের ১১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৬টি, খুলনা-২ আসনের ১৫৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৫টি, খুলনা-৪ আসনের ১৪৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৫টি এবং খুলনা-৫ আসনের ১৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৩টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি সংসদীয় এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই তালিকা প্রণয়ন করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মোহাম্মাদ জাহিদুল হাসান জানিয়েছেন যে, প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ৩ জন পুলিশ ও ১৩ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। তবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪ জন পুলিশ করা হয়েছে এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কর্মকর্তাসহ ৫ জন পুলিশ ও ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।যেসব দুর্গম কেন্দ্রে গাড়ি যাতায়াত করতে পারবে না, সেখানে মোবাইল পেট্রোলিং এবং স্ট্রাইকিং রিজার্ভের সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে এবং সব বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় রক্ষায় কাজ চলছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকার জানিয়েছেন যে, ৫৬৬টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৫৫৮টিতে সিসি ক্যামেরা থাকবে যা সরাসরি মনিটরিং করা হবে। 

বিষয় : নিরাপত্তা ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৫৬৬, খুলনায় সতর্কতা জোরদার

প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ৬টি সংসদীয় আসনের মোট ৮৪০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৬৬টিকে ঝুঁকিপূর্ণ বা ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। জেলা পুলিশ ও মেট্রোপলিটন পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট কেন্দ্রের প্রায় ৬৭ শতাংশই এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত। এসব কেন্দ্রে সুষ্ঠু ভোটদান নিশ্চিত করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি দায়িত্বপালনকারী পুলিশ সদস্যদের শরীরে ‘বডি ওর্ন’ ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

আসনভিত্তিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, খুলনার ৬টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে খুলনা-৬ আসন, যেখানে ৮৩ দশমিক ২২ শতাংশ কেন্দ্রই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। এর বিপরীতে খুলনা মহানগরীর আংশিক এলাকা নিয়ে গঠিত খুলনা-৩ আসনে ঝুঁকির মাত্রা তুলনামূলক কম, যা প্রায় ৪৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। 


আরো পড়ুন , পোস্টাল ভোটের ধোঁয়াশা ঘিরে কক্সবাজার গণনা আগামীকাল


অন্যান্য আসনের মধ্যে খুলনা-১ আসনের ১১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৬টি, খুলনা-২ আসনের ১৫৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৫টি, খুলনা-৪ আসনের ১৪৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৫টি এবং খুলনা-৫ আসনের ১৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮৩টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি সংসদীয় এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই তালিকা প্রণয়ন করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মোহাম্মাদ জাহিদুল হাসান জানিয়েছেন যে, প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ৩ জন পুলিশ ও ১৩ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। তবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪ জন পুলিশ করা হয়েছে এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কর্মকর্তাসহ ৫ জন পুলিশ ও ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।যেসব দুর্গম কেন্দ্রে গাড়ি যাতায়াত করতে পারবে না, সেখানে মোবাইল পেট্রোলিং এবং স্ট্রাইকিং রিজার্ভের সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে এবং সব বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় রক্ষায় কাজ চলছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আ স ম জামশেদ খোন্দকার জানিয়েছেন যে, ৫৬৬টি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৫৫৮টিতে সিসি ক্যামেরা থাকবে যা সরাসরি মনিটরিং করা হবে। 


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত