আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুষ্টিয়া জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (দিনভর) জেলার সকল উপজেলায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে কুষ্টিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, জেলা প্রবেশপথ এবং জনবহুল এলাকায় একাধিক চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। চেক পোস্টগুলোতে যানবাহন তল্লাশি, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের সম্ভাব্য বিষয়গুলোতে কঠোর নজরদারি করা হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদসহ বিভিন্ন সতর্কতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা, অবৈধ প্রচারণা কিংবা আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা বরদাশত করা হবে না। সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সমন্বিত টহল ও অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে।
আরও পড়ুন, ইসলামী শ্রম নীতি প্রতিষ্ঠা হলে শ্রমিকরা তাদের অধীকার ফিরে পাবে: আব্দুল খালেক
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যৌথ বাহিনীর এমন তৎপরতায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ভোটকেন্দ্রে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সমর্থকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্বাচনী আচরণবিধিমালা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার যে কোনো অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুষ্টিয়া জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (দিনভর) জেলার সকল উপজেলায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে কুষ্টিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, জেলা প্রবেশপথ এবং জনবহুল এলাকায় একাধিক চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। চেক পোস্টগুলোতে যানবাহন তল্লাশি, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের সম্ভাব্য বিষয়গুলোতে কঠোর নজরদারি করা হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদসহ বিভিন্ন সতর্কতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা, অবৈধ প্রচারণা কিংবা আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা বরদাশত করা হবে না। সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সমন্বিত টহল ও অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে।
আরও পড়ুন, ইসলামী শ্রম নীতি প্রতিষ্ঠা হলে শ্রমিকরা তাদের অধীকার ফিরে পাবে: আব্দুল খালেক
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যৌথ বাহিনীর এমন তৎপরতায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ভোটকেন্দ্রে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সমর্থকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্বাচনী আচরণবিধিমালা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার যে কোনো অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন