দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : রোববার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

বদলগাছীতে হাত-পা-মুখ বেঁধে ক্যানেলে ফেলে হত্যাচেষ্টা, জীবিত উদ্ধার মর্তুজা

বদলগাছীতে হাত-পা-মুখ বেঁধে ক্যানেলে ফেলে হত্যাচেষ্টা, জীবিত উদ্ধার মর্তুজা

ফুলবাড়ীতে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলার অভিযোগ, আহত ১০

ফুলবাড়ীতে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলার অভিযোগ, আহত ১০

মাদারগঞ্জে বিএসটিআই অনুমোদনহীন কেমিক্যালযুক্ত শিশুখাদ্যে বাজার সয়লাব: ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

মাদারগঞ্জে বিএসটিআই অনুমোদনহীন কেমিক্যালযুক্ত শিশুখাদ্যে বাজার সয়লাব: ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

চকরিয়ায় অসহায়ের  পাশে -  জননেতা  আব্দুল্লাহ আল ফারুক

চকরিয়ায় অসহায়ের পাশে - জননেতা আব্দুল্লাহ আল ফারুক

সিরাজগঞ্জে শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ, স্বস্তি পথচারীদের

সিরাজগঞ্জে শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ, স্বস্তি পথচারীদের

বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

‘অসময়ের বন্ধু’র উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মেধাবীদের হাতে সম্মাননা

‘অসময়ের বন্ধু’র উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মেধাবীদের হাতে সম্মাননা

মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে দুইটি পরিবারে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন - এমপি খোকন  তালুকদার

মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে দুইটি পরিবারে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন - এমপি খোকন তালুকদার

পান চাষে দিন বদলে স্বপ্ন দেখছেন আলদাদপুরের কৃষকরা

পান চাষে দিন বদলে স্বপ্ন দেখছেন আলদাদপুরের কৃষকরা
পান চাষে দিন বদলে স্বপ্ন দেখছেন আলদাদপুরের কৃষকরা

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের আলদাদপুর‌ গ্রামে কৃষকদের আয়ের প্রধান উৎস হয়ে উঠেছে পান চাষ। গ্রামজুড়ে চোখে পড়ে পানের বরজ। এই পান চাষ করেই এখানকার বেশির ভাগ পরিবার তাদের সংসারের ব্যয় নির্বাহ করছে।

সরেজমিন আলদাদপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পানচাষি পরেশ রায় (৫০) তার বরজ থেকে পান তুলছেন। কথা হলে তিনি জানান, পানই এ গ্রামের মানুষের প্রধান আয়ের উৎস। বংশানুক্রমিকভাবেই তারা পান চাষের সঙ্গে যুক্ত। তার পূর্বপুরুষরাও এই ফসলের আবাদ করতেন। পরেশ রায় বলেন, গত বছর তিনি ২০ শতক জমিতে পান চাষ করেছিলেন। দুই বছরে এই চাষে তার ব্যয় হয়েছে প্রায় ২ লাখ টাকা। বিপরীতে পান বিক্রি করে তিনি পেয়েছেন প্রায় ৪ লাখ টাকা। এতে তার লাভ হয়েছে প্রায় ২ লাখ টাকা। একই গ্রামের আরেক পানচাষি হেমন্ত রায় (৪৮) জানান, তিনি ২৫ শতক জমিতে দেশি জাতের পান চাষ করেছেন। এই পান চাষ থেকেই তার সংসারের ভরণুপোষণ চলে। তিনি বলেন, কুয়াশা ও অতিবৃষ্টি পানের প্রধান শত্রু। 

আরও পড়ুন, দিনাজপুরে কনস্টেবল দিননাথ রায়কে এএসআই পদে পদোন্নতি

এ কারণে একটু উঁচু জমিতে বরজ তৈরি করতে হয়। পাশাপাশি কুয়াশা প্রতিরোধে বরজের ওপর মাচা এবং চারপাশ ঢেকে রাখতে হয়। গ্রামের আরও কয়েকজন পানচাষি জানান, এই এলাকার মাটি ও পরিবেশ পান চাষের জন্য বেশ উপযোগী। ফলে পানই এখন এই গ্রামের প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। চাষিরা জানান, পান চাষে জৈব সার, খৈল এবং অল্প পরিমাণ ইউরিয়া ব্যবহার করা হয়। তবে পোকামাকড়ের আক্রমণ ও কখনো কখনো মারাত্মক পচন রোগ দেখা দেয়। এ কারণে সব সময় সতর্ক থাকতে হয়। 

স্থানীয় ইউপি সদস্য পরেশ রায় বলেন, পান চাষ লাভজনক হওয়ায় দিন দিন এর প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। উৎপাদিত পান স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও সরবরাহ করা হচ্ছে।

বিষয় : কৃষক আলদাদপুর

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬


পান চাষে দিন বদলে স্বপ্ন দেখছেন আলদাদপুরের কৃষকরা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের আলদাদপুর‌ গ্রামে কৃষকদের আয়ের প্রধান উৎস হয়ে উঠেছে পান চাষ। গ্রামজুড়ে চোখে পড়ে পানের বরজ। এই পান চাষ করেই এখানকার বেশির ভাগ পরিবার তাদের সংসারের ব্যয় নির্বাহ করছে।

সরেজমিন আলদাদপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পানচাষি পরেশ রায় (৫০) তার বরজ থেকে পান তুলছেন। কথা হলে তিনি জানান, পানই এ গ্রামের মানুষের প্রধান আয়ের উৎস। বংশানুক্রমিকভাবেই তারা পান চাষের সঙ্গে যুক্ত। তার পূর্বপুরুষরাও এই ফসলের আবাদ করতেন। পরেশ রায় বলেন, গত বছর তিনি ২০ শতক জমিতে পান চাষ করেছিলেন। দুই বছরে এই চাষে তার ব্যয় হয়েছে প্রায় ২ লাখ টাকা। বিপরীতে পান বিক্রি করে তিনি পেয়েছেন প্রায় ৪ লাখ টাকা। এতে তার লাভ হয়েছে প্রায় ২ লাখ টাকা। একই গ্রামের আরেক পানচাষি হেমন্ত রায় (৪৮) জানান, তিনি ২৫ শতক জমিতে দেশি জাতের পান চাষ করেছেন। এই পান চাষ থেকেই তার সংসারের ভরণুপোষণ চলে। তিনি বলেন, কুয়াশা ও অতিবৃষ্টি পানের প্রধান শত্রু। 

আরও পড়ুন, দিনাজপুরে কনস্টেবল দিননাথ রায়কে এএসআই পদে পদোন্নতি

এ কারণে একটু উঁচু জমিতে বরজ তৈরি করতে হয়। পাশাপাশি কুয়াশা প্রতিরোধে বরজের ওপর মাচা এবং চারপাশ ঢেকে রাখতে হয়। গ্রামের আরও কয়েকজন পানচাষি জানান, এই এলাকার মাটি ও পরিবেশ পান চাষের জন্য বেশ উপযোগী। ফলে পানই এখন এই গ্রামের প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। চাষিরা জানান, পান চাষে জৈব সার, খৈল এবং অল্প পরিমাণ ইউরিয়া ব্যবহার করা হয়। তবে পোকামাকড়ের আক্রমণ ও কখনো কখনো মারাত্মক পচন রোগ দেখা দেয়। এ কারণে সব সময় সতর্ক থাকতে হয়। 

স্থানীয় ইউপি সদস্য পরেশ রায় বলেন, পান চাষ লাভজনক হওয়ায় দিন দিন এর প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। উৎপাদিত পান স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতেও সরবরাহ করা হচ্ছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত