দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

আগামীকাল সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক করল সরকার

আগামীকাল সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক করল সরকার

রাতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানী পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানী পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাজধানীজুড়ে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, গাঁজা-ইয়াবাসহ একদিনে ৪৩৩ গ্রেফতার

রাজধানীজুড়ে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, গাঁজা-ইয়াবাসহ একদিনে ৪৩৩ গ্রেফতার

এনআইডি সংশোধন ও বিভিন্ন সেবার ফি বাড়াল নির্বাচন কমিশন

এনআইডি সংশোধন ও বিভিন্ন সেবার ফি বাড়াল নির্বাচন কমিশন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর, মানবিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর, মানবিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের

সারা দেশে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও কোথাও অতিভারি বর্ষণের আশঙ্কা

সারা দেশে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও কোথাও অতিভারি বর্ষণের আশঙ্কা

স্ক্রিনের আড়ালে ‘ভয়ংকর বহুরূপী’ ফাঁদ: অনলাইন প্রতারণায় সর্বস্বান্ত হাজারো মানুষ

স্ক্রিনের আড়ালে ‘ভয়ংকর বহুরূপী’ ফাঁদ: অনলাইন প্রতারণায় সর্বস্বান্ত হাজারো মানুষ

অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য বড় সুখবর, আসছে ‘এক পদ, এক বেতন’

অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য বড় সুখবর, আসছে ‘এক পদ, এক বেতন’

২৭তম বিসিএসে প্রথম পর্যায়ে ৬৭৩ জনকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ

২৭তম বিসিএসে প্রথম পর্যায়ে ৬৭৩ জনকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ
২৭তম বিসিএসে প্রথম পর্যায়ে ৬৭৩ জনকে সরকারি চাকরি

২৭তম বিসিএস থেকে প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ৬৭৩ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) তাদের নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ ব্যাচের কর্মকর্তারা ২০০৮ সালের নভেম্বরে যোগদান করেছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২৭তম বিসিএস পরীক্ষা-২০০৫-এর মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ৫ নভেম্বরের চিঠির সুপারিশক্রমে ৬৭৩ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুসারে (২২,০০০-৫৩,০৬০/- টাকা বেতনক্রমে) নিয়োগ দেওয়া হলো। নিয়োগের শর্তে বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। এ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে তাকে তার চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার যেভাবে স্থির করবে, সেভাবে পেশাগত ও বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। ২ বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিশকাল অনূর্ধ্ব ২ বছর বৃদ্ধি করতে পারবে।

শর্তে বলা হয়, শিক্ষানবিশকালে যদি তিনি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ ব্যতিরেকে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে। উল্লিখিত প্রশিক্ষণ সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে অতিক্রান্ত হলে তাকে চাকরিতে স্থায়ী করা হবে। প্রশিক্ষণের জন্য কর্মস্থল থেকে অব্যাহতি দেওয়া কর্তৃপক্ষের কাছে একটি অঙ্গীকারনামা দাখিল করে তাকে প্রশিক্ষণে যেতে হবে। এতে বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের একজন জামানতদারসহ ৩০০ টাকা মূল্যের নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে এ মর্মে একটি বন্ড সম্পাদন করতে হবে, যদি তিনি শিক্ষানবিশকালে অথবা শিক্ষানবিশকাল উত্তীর্ণ হওয়ার ৩ বছরের মধ্যে চাকরি থেকে ইস্তফা দেন, তবে প্রশিক্ষণকালে তাকে প্রদত্ত বেতন-ভাতা, প্রশিক্ষণ উপলক্ষ্যে উত্তোলিত অগ্রিম/ভ্রমণভাতা/অন্যান্য ভাতাদি এবং তার প্রশিক্ষণের জন্য ব্যয়িত সমুদয় অর্থ ফেরত দিতে তিনি বাধ্য থাকবেন।

আরও পড়ুন, শেষ কর্মদিবসে প্রধান বিচারপতি জানালেন জুলাই বিপ্লবের গুরুত্ব

শর্তে আরও বলা হয়, চাকরি থেকে ইস্তফা দেওয়ার ক্ষেত্রে তার ইস্তফা সরকার কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পূর্বে যদি তিনি তার কর্তব্যকাজে অনুপস্থিত থাকেন, তবে তার কাছে সরকারের প্রাপ্য সমুদয় অর্থ বিধান অনুসারে আদায় করা হবে এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগপ্রাপ্তদের জ্যেষ্ঠতা অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে তাদের ব্যাচের নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রথম যে তারিখে নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, সেই তারিখ হতে ভূতাপেক্ষিকভাবে নিয়োগ আদেশ কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক সম্পন্ন

এতে বলা হয়, তাদের ব্যাচের প্রথম নিয়োগ প্রজ্ঞাপনের যোগদানের তারিখ থেকে তাদের ধারণাগত জ্যেষ্ঠতা বজায় থাকবে। তবে এর ফলে তারা কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন না। চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি ২৭তম বিসিএস পরীক্ষার নিয়োগবঞ্চিত ১ হাজার ১৩৭ জনকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। আপিলকারীদের আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন ও মোহাম্মদ শিশির মনির তখন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় পুনর্বহাল করায় ৯০ দিনের মধ্যে ১ হাজার ১৩৭ জন ক্যাডার জ্যেষ্ঠতা নিয়ে চাকরিতে যোগ দেওয়ার অনুমতি পেলেন।

২৭তম বিসিএসের প্রথম মৌখিক পরীক্ষায় ৩৫৬৭ জন উত্তীর্ণ হন। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিল করে এবং দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে। প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা রিট আবেদন করেন। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্ট ২৭তম বিসিএস পরীক্ষার প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিলকে বৈধ ঘোষণা করে। সেই রায়ের বিরুদ্ধে রিট আবেদনকারীরা আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন।

বিষয় : সরকারি বিসিএস ক্যাডার

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬


২৭তম বিসিএসে প্রথম পর্যায়ে ৬৭৩ জনকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ

প্রকাশের তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

২৭তম বিসিএস থেকে প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ৬৭৩ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) তাদের নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ ব্যাচের কর্মকর্তারা ২০০৮ সালের নভেম্বরে যোগদান করেছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২৭তম বিসিএস পরীক্ষা-২০০৫-এর মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ৫ নভেম্বরের চিঠির সুপারিশক্রমে ৬৭৩ জন প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুসারে (২২,০০০-৫৩,০৬০/- টাকা বেতনক্রমে) নিয়োগ দেওয়া হলো। নিয়োগের শর্তে বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। এ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে তাকে তার চাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার যেভাবে স্থির করবে, সেভাবে পেশাগত ও বিশেষ ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। ২ বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এ শিক্ষানবিশকাল অনূর্ধ্ব ২ বছর বৃদ্ধি করতে পারবে।

শর্তে বলা হয়, শিক্ষানবিশকালে যদি তিনি চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী বলে বিবেচিত হন, তবে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ ব্যতিরেকে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে। উল্লিখিত প্রশিক্ষণ সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে অতিক্রান্ত হলে তাকে চাকরিতে স্থায়ী করা হবে। প্রশিক্ষণের জন্য কর্মস্থল থেকে অব্যাহতি দেওয়া কর্তৃপক্ষের কাছে একটি অঙ্গীকারনামা দাখিল করে তাকে প্রশিক্ষণে যেতে হবে। এতে বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের একজন জামানতদারসহ ৩০০ টাকা মূল্যের নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে এ মর্মে একটি বন্ড সম্পাদন করতে হবে, যদি তিনি শিক্ষানবিশকালে অথবা শিক্ষানবিশকাল উত্তীর্ণ হওয়ার ৩ বছরের মধ্যে চাকরি থেকে ইস্তফা দেন, তবে প্রশিক্ষণকালে তাকে প্রদত্ত বেতন-ভাতা, প্রশিক্ষণ উপলক্ষ্যে উত্তোলিত অগ্রিম/ভ্রমণভাতা/অন্যান্য ভাতাদি এবং তার প্রশিক্ষণের জন্য ব্যয়িত সমুদয় অর্থ ফেরত দিতে তিনি বাধ্য থাকবেন।

আরও পড়ুন, শেষ কর্মদিবসে প্রধান বিচারপতি জানালেন জুলাই বিপ্লবের গুরুত্ব

শর্তে আরও বলা হয়, চাকরি থেকে ইস্তফা দেওয়ার ক্ষেত্রে তার ইস্তফা সরকার কর্তৃক গৃহীত হওয়ার পূর্বে যদি তিনি তার কর্তব্যকাজে অনুপস্থিত থাকেন, তবে তার কাছে সরকারের প্রাপ্য সমুদয় অর্থ বিধান অনুসারে আদায় করা হবে এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগপ্রাপ্তদের জ্যেষ্ঠতা অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে তাদের ব্যাচের নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রথম যে তারিখে নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, সেই তারিখ হতে ভূতাপেক্ষিকভাবে নিয়োগ আদেশ কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক সম্পন্ন

এতে বলা হয়, তাদের ব্যাচের প্রথম নিয়োগ প্রজ্ঞাপনের যোগদানের তারিখ থেকে তাদের ধারণাগত জ্যেষ্ঠতা বজায় থাকবে। তবে এর ফলে তারা কোনো বকেয়া আর্থিক সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন না। চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি ২৭তম বিসিএস পরীক্ষার নিয়োগবঞ্চিত ১ হাজার ১৩৭ জনকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। আপিলকারীদের আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন ও মোহাম্মদ শিশির মনির তখন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় পুনর্বহাল করায় ৯০ দিনের মধ্যে ১ হাজার ১৩৭ জন ক্যাডার জ্যেষ্ঠতা নিয়ে চাকরিতে যোগ দেওয়ার অনুমতি পেলেন।

২৭তম বিসিএসের প্রথম মৌখিক পরীক্ষায় ৩৫৬৭ জন উত্তীর্ণ হন। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিল করে এবং দ্বিতীয় মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে। প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা রিট আবেদন করেন। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্ট ২৭তম বিসিএস পরীক্ষার প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিলকে বৈধ ঘোষণা করে। সেই রায়ের বিরুদ্ধে রিট আবেদনকারীরা আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত