দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

২২ বছরে ১ কোটি ৫০ লাখ কর্মী বিদেশে, ফিরে আসাদের তথ্য নেই

২০০৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের ১৬ জুন পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য গেছেন ১ কোটি ৫০ লাখ ৭ হাজার ১২৯ জন বাংলাদেশি কর্মী। তবে তাদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে দেশে ফিরে আসায় বর্তমানে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকের সঠিক সংখ্যা জানাতে পারছে না সরকার মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।মন্ত্রী জানান, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটির ডাটাবেজে ২০০৪ সাল থেকে বিদেশগামী কর্মীদের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। সেই তথ্য অনুযায়ী গত ২২ বছরে বিশ্বের বিভিন্ন শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে দেড় কোটিরও বেশি বাংলাদেশি পাড়ি জমিয়েছেন।তবে বৈদেশিক কর্মসংস্থান শেষে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী দেশে ফিরে এসেছেন। ফেরত আসা কর্মীদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরকারের কাছে না থাকায় বর্তমানে বিদেশে কতজন বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন, সে বিষয়ে নির্ভুল তথ্য দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান মন্ত্রী।তিনি বলেন, বিদেশ আরো পড়ুন , শেখ হাসিনা-জয়-পুতুলের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন পদক্ষেপফেরত কর্মীদের তথ্য সংগ্রহ ও আদান-প্রদানের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সঙ্গে বিএমইটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিদেশফেরত কর্মীদের একটি নির্ভরযোগ্য ডাটাবেজ তৈরি করা সম্ভব হবে।প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্য এখনো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমানে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কর্মী কাজ করছেন।তবে ইরান, লেবানন, সিরিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান অস্থিরতার কারণে শ্রমিক পাঠানোর হার কিছুটা কমেছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যমান শ্রমবাজার ধরে রাখা, নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণ এবং বিকল্প গন্তব্য খুঁজতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

২২ বছরে ১ কোটি ৫০ লাখ কর্মী বিদেশে, ফিরে আসাদের তথ্য নেই