নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি, সংসার চালাতে হিমশিম পরিবার
ভোক্তার মজুরি বাড়ার হারের চেয়ে মূল্যস্ফীতির হার এখনো বেশি। এ কারণে মানুষের আয়ের চেয়ে খরচ হচ্ছে বেশি। কমেছে ক্রয়ক্ষমতা। গত বছরের তুলনায় মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমলেও মজুরি বৃদ্ধির হার এখনো চ্যালেঞ্জিং। পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে দামের ব্যবধান অনেক বেশি। পণ্যের সরবরাহ বেশি থাকলেও খুচরা বাজারে দাম কমছে না। এর প্রভাবে মূল্যস্ফীতির হারও প্রত্যাশিত পর্যায়ে নেমে আসছে না। এটা কমাতে বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। (১৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক গবেষণা প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।আরো পড়ুন , সূচকের তীব্র উত্থানে শেয়ারবাজারের লেনদেন সমাপ্ত এতে জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের সঙ্গে অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকের মূল্যস্ফীতির তুলনা করা হয়েছে। তবে ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতেও মূল্যস্ফীতির হার সামান্য বেড়েছে।প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৫ শতাংশ। একই সময়ে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ১ শতাংশের নিচে, অপরিবর্তিত ছিল। এর আগে অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ শতাংশ। গত বছরের জুলাইয়ে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ১৯ শতাংশ। এরপর থেকে মজুরি বৃদ্ধির হার কমছে। সেপ্টেম্বর থেকে মজুরি বৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ১ শতাংশের নিচে রয়েছে। ফলে একদিকে মূল্যস্ফীতির হার নভেম্বর থেকে বাড়ছে, বিপরীতে মজুরি বৃদ্ধির হার অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে মানুষের পারিবারিক ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। পাশাপাশি প্রকৃত মজুরি বৃদ্ধির হারে মন্থরতা দেখা দিয়েছে।