হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় মামলা করতে যাওয়ার পথে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।বুধবার বিকেলে বাহুবল উপজেলার রশিদপুর এলাকায় পুলিশ তাদের গাড়িবহর আটকে দিলে তিনি বলেন, ‘আমরা একটি গাড়ি নিয়ে পাঁচজন শুধু হবিগঞ্জে যাব। হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না। আমাকে যদি হবিগঞ্জের মানুষ মারে, তবে আমি ধরে নেব এটি আমার কামাই।’প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, ডা. মাহমুদা মিতুসহ কয়েকজন মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন।আরও পড়ুন, বাউফলে পরকীয়ার অভিযোগে গণপিটুনির শিকার জামায়াত নেতা প্রথমে শ্রীমঙ্গলের মুছাই এলাকায় এবং পরে বাহুবলের রশিদপুর এলাকায় তাদের গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ। দুই দফাতেই পুলিশ ও এনসিপি নেতাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ বলেন, তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে হবিগঞ্জে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা শেষে সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে সারজিস আলমসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। ঘটনার পর জেলায় ১৪৪ ধারা জারি এবং তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।