রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে নতুন করে সামনে এসেছে সহযোগিতা, পরিকল্পনা ও পালানোর সহায়তার অভিযোগ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সময় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ভেতর থেকে ফ্ল্যাটের দরজা খোলেননি।আরও পড়ুন, দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে পুলিশডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানান, রামিসার মা দরজায় নক করলেও ভেতরে তখন হত্যাকাণ্ড ঘটছিল। সোহেল রানা পালানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরই দরজা খোলা হয় বলে দাবি পুলিশের। পুলিশ আরও জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে স্বপ্না আক্তার এবং পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা ছোরা এবং শিশুটির বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়েছে।আরও পড়ুন, রাজধানীতে অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা ডিএমপি কমিশনারেরতদন্তে উঠে এসেছে, শিশুটিকে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ বিকৃত করা হয়। তবে ধর্ষণের বিষয়টি ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক রিপোর্টের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, প্রতিবেশীর বিকৃত আচরণ ও অপরাধ আড়াল করার চেষ্টা থেকেই এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।আরও পড়ুন, গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্কএদিকে আদালতে হাজির করে সোহেল রানার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয়। ঘটনাটি ঘিরে রাজধানীতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।