দক্ষতার ঘাটতি কাটিয়ে ইউরোপে যেতে চায় বাংলাদেশি শ্রমশক্তি
স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির প্রধান গন্তব্য মধ্যপ্রাচ্য। তবে সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই নির্ভরতা কমিয়ে নতুন বাজার খুঁজছে সরকার।সরকার এখন নজর দিচ্ছে তুলনামূলক স্থিতিশীল ইউরোপ-এর শ্রমবাজারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরে অন্তত ২০ লাখ দক্ষ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে বিদেশগামী কর্মীদের প্রায় ৮২ শতাংশই গেছেন মধ্যপ্রাচ্যে। এককভাবে সৌদি আরবেই গেছে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শ্রমিক। দেশের মোট রেমিট্যান্সের ৬০ শতাংশের বেশি আসে এই অঞ্চল থেকে।আরো পড়ুন ,দীর্ঘমেয়াদি ঋণে বড় পরিবর্তন, সুদহার কমাল বাংলাদেশ ব্যাংকএই একমুখী নির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।এদিকে সরকার ইতোমধ্যে ইউরোপের একাধিক দেশের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক বা এমওইউ স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতালি, ফ্রান্স, গ্রিসসহ বিভিন্ন দেশে দক্ষ কর্মীর চাহিদা থাকায় নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।তবে চ্যালেঞ্জও কম নয়। ভাষাগত দক্ষতার অভাব, কারিগরি প্রশিক্ষণের ঘাটতি এবং ভিসা জটিলতার কারণে ইউরোপে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো এখনও সীমিত।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষতা উন্নয়ন ও বৈধ পথে অভিবাসন নিশ্চিত করতে পারলে ইউরোপ হতে পারে বাংলাদেশের জন্য বড় সম্ভাবনার বাজার।