পুনর্গঠনের অঙ্গীকারে ধানের শীষে ভোটের ডাক তারেক রহমানের
দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ধানের শীষ জয়ী হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের কাজ করবে বিএনপি।সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর বনানী এলাকায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান তারেক রহমান। বক্তব্যে তিনি নারী, কৃষক, তরুণ ও ধর্মীয় নেতাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীকরণ এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।তারেক রহমান বলেন, তিনি ও তার ভাই এই এলাকাতেই বড় হয়েছেন এবং এটিই তাদের জন্মস্থান। তাদের পরিবার ও সন্তানদের জন্মও এই এলাকাতেই। ফলে এলাকার সঙ্গে তাদের একটি গভীর পারিবারিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।তিনি আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও তার জীবনের দীর্ঘ সময় এই এলাকাতেই কাটিয়েছেন এবং এখান থেকেই বিদায় নিয়েছেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক তাদের রাজনৈতিক পরিচয়কে আরও শক্তিশালী করেছে।তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় জনগণের প্রত্যাশা বাড়ে এবং বিএনপির মতো একটি বড় দলের প্রতি সারা দেশের মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে। এসব প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই বিএনপি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যা দলের নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ।আরো পড়ুন , ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক : নাহিদতিনি জানান, আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করতে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকার গঠন করতে পারলে দেশের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীকরণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিএনপি সরকার গঠন করলে পর্যায়ক্রমে গৃহিণী ও মায়েদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে ন্যূনতম আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে নারী শিক্ষার প্রসার ঘটেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় শিক্ষিত ও প্রান্তিক নারীদের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করা হবে। কৃষি খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, কৃষিই বাংলাদেশের প্রধান পেশা এবং কোটি কোটি মানুষ এর সঙ্গে জড়িত। কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো বিএনপির অঙ্গীকার।তিনি জানান, সরকার গঠন করলে কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকরা সরাসরি সরকারি সহায়তা পাবেন এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। তরুণ সমাজের বেকারত্বকে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। আইটি ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। বিদেশে যেতে ইচ্ছুকদের জন্য স্বল্পসুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থাও করা হবে।