ডিজিটাল হচ্ছে সরকারি হাসপাতাল, কমবে ভোগান্তি ও চিকিৎসা ব্যয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশের স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত হলো নতুন মাত্রা। ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড, ল্যাব টেস্ট ব্যবস্থাপনা, ফার্মেসি ট্র্যাকিং এবং ই-টিকিটিংসহ পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল অটোমেশন ব্যবস্থা এখন চালু হয়েছে দেশের ৮৭টি সরকারি হাসপাতালে।জাতীয় সংসদে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বর্তমানে ৬১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ১৪টি জেলা হাসপাতাল, দুটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ১০টি জাতীয় পর্যায়ের হাসপাতালে এই ডিজিটাল সেবা কার্যক্রম চালু রয়েছে।মন্ত্রী জানান, ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমছে এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য সহজেই সংরক্ষণ ও ব্যবহার করা যাচ্ছে। আরও পড়ুন, চীনের গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, লালগালিচায় রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনারোগীর সম্মতির ভিত্তিতে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে চিকিৎসার তথ্য স্থানান্তরের সুবিধাও চালু হয়েছে।এছাড়া হাসপাতালের কাউন্টারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর পরিবর্তে এখন ঘরে বসেই ই-টিকিট সংগ্রহ করে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে। বর্তমানে দেশের ১৫টি হাসপাতালে ই-টিকিটিং সেবা চালু রয়েছে।সরকার জানিয়েছে, একটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে দেশের সব সরকারি হাসপাতালকে সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্যখাতে এ ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সেবার মান যেমন বাড়বে, তেমনি কমবে রোগীদের ভোগান্তিও।