শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা আট দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) সকাল থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বন্দর সচল হওয়ার পর থেকেই পণ্য লোড-আনলোডের কাজে তিন হাজার শ্রমিক যোগ দেওয়ায় পুরো বন্দর এলাকায় পুনরায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। তবে বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এই আট দিন দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক ছিল। বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি আলহাজ মহসিন মিলন জানান, দীর্ঘ ছুটি শেষে বাণিজ্য শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ী, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, বন্দর ও কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শ্রমিকরা অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে টানা আট দিন বন্দর বন্ধ থাকায় সীমান্তের উভয়পাশে তীব্র যানজট ও বিশাল পণ্যজটের সৃষ্টি হয়েছে।আরও পড়ুন,ছেলে ইটভাটায় কাজে না যাওয়ায় মাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, শ্যামনগরে চাঞ্চল্য কয়েক হাজার পণ্যবোঝাই ট্রাক বর্তমানে বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সাধারণত এই বন্দর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ ট্রাক পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে এবং সরকার প্রায় ২০ কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। সে হিসেবে টানা আট দিনের এই ছুটিতে সরকার প্রায় ১৬০ কোটি টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে।বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন জানিয়েছেন, সকাল থেকেই পুনরায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং জমে থাকা পণ্যজট ও যানজট দ্রুত নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে দ্রুততার সঙ্গে পণ্য খালাস করা সম্ভব হয়।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।