আধুনিক প্রশিক্ষণ ছাড়া মানসম্মত শিক্ষা সম্ভব নয়
শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাগত উৎকর্ষ বাড়াতে বিএড ও এমএডসহ আধুনিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। তিনি বলেছেন, শুধু প্রচলিত পদ্ধতিতে পড়াশোনা করালেই হবে না। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নতুন জ্ঞান, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।শনিবার রাজধানীর খিলখেতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মিলনায়তনে ‘শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিএড ও এমএড শিক্ষার গুরুত্ব’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, বর্তমানে যে পদ্ধতি ও সিলেবাসে পড়াশোনা করানো হচ্ছে, তা দিয়ে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আড়ও পড়ুন,প্রতিবন্ধী অধিকার ককাসের আহ্বায়ক এম. এ. মুহিতভবিষ্যতের চাহিদা পূরণে শিক্ষার্থীদের এমন জ্ঞান ও দক্ষতা দিতে হবে, যা তাদের কর্মজীবনে সরাসরি কাজে লাগে।তিনি জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিক্ষা কার্যক্রমে ৫০টি বিষয়ের প্রায় ৪ হাজার কোর্স রয়েছে। এর মধ্যে গত দুই বছরে প্রায় ৪০০টি কোর্সের সিলেবাস সংস্কার করা হয়েছে। আরও কিছু কোর্সের সংস্কার চলছে। পর্যায়ক্রমে সব সিলেবাস আধুনিকায়ন করা হবে।বিএডের সিলেবাস ইতোমধ্যে এক দফা সংস্কার করে অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে জানিয়ে অধ্যাপক আমানুল্লাহ বলেন, বিএড কারিকুলামকে আরও আধুনিক, সময়োপযোগী ও কর্মমুখী করার কাজ চলছে।শিক্ষাব্যবস্থায় ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ যুক্ত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, শিক্ষকদের শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান থাকলেই হবে না; হাতে-কলমে শেখানোর কৌশলও জানতে হবে। বিএড প্রোগ্রামের মাধ্যমে আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি, শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের কার্যকরভাবে শেখানোর সক্ষমতা বাড়বে।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিআইবিটির অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মামুনুর রশিদ। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকরা এতে অংশ নেন।