দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মাদ্রাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, দগ্ধ ৫ ছাত্রী

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি মহিলা মাদ্রাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচ ছাত্রী দগ্ধ হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে কাশিপুর হাজীপাড়া এলাকার মালেহা মহিলা মাদ্রাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় পাঁচ ছাত্রীকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।দগ্ধ ছাত্রীরা হলো—জিদনী (১৪), লামিয়া (১৩), সুমাইয়া (১৩), আসিয়া (১২) ও আতিয়া (১১)। তারা সবাই ওই মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, পাঁচ ছাত্রীকেই জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জিদনীর শরীরের ৮২ শতাংশ, লামিয়ার ৫৫ শতাংশ এবং আতিয়ার ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এ তিন ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। অপর দুই ছাত্রীর একজনের শরীরের ১৩ শতাংশ এবং অন্যজনের ৭ শতাংশ পুড়ে গেছে।আরও  পড়ুন, তিন দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গাজীপুর জেলা যুবদলের নেতৃত্বে মাসুদ রানার প্রত্যাশাস্থানীয় ও হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিকেলে কয়েকজন ছাত্রী মাদ্রাসার তিনতলা ভবনের ছাদে খেলতে যায়। একপর্যায়ে ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে এসে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। বিকট শব্দ শুনে মাদ্রাসার লোকজন ছাদে গিয়ে তাদের দগ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় এবং সেখান থেকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং ছাদের ওপর বৈদ্যুতিক তারের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।এদিকে গুরুতর দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার তাদের শারীরিক অবস্থার অগ্রগতি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

মাদ্রাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, দগ্ধ ৫ ছাত্রী