দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

লামায় প্রশাসনিক কঠোরতায় আলোচনায় ইউএনও মঈন উদ্দিন

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসনিক তৎপরতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলন, পাহাড় কাটা, অবৈধ রিসোর্ট বা কটেজ নির্মাণ এবং লাইসেন্সবিহীন ইটভাটার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে আলোচনায় এসেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঈন উদ্দিন। প্রশাসনের এসব অভিযানে জেল, জরিমানা এবং বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ঘটনাও ঘটেছে। ফলে স্থানীয় প্রশাসনের কার্যক্রম নিয়ে যেমন সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে, তেমনি কিছু মহলের বিরূপ প্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, লামা উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী চক্রের মাধ্যমে অবৈধভাবে পাহাড় কাটা, বালু উত্তোলন এবং পরিবেশবিধি লঙ্ঘন করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ ছিল। এসব কার্যক্রম পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, জরিমানা আরোপ এবং অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।লামা উপজেলার বিভিন্ন নদী ও ছড়ায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রশাসনের নজরদারির অভাবে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট করে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদীর তীর ভাঙন এবং পরিবেশগত ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছিল। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা এবং সরঞ্জাম জব্দ করার ঘটনাও ঘটেছে। প্রশাসনের দাবি, এসব অভিযানের উদ্দেশ্য হলো পরিবেশ রক্ষা এবং সরকারি সম্পদ সুরক্ষা নিশ্চিত করা।পার্বত্য এলাকায় পাহাড় কাটা একটি গুরুতর পরিবেশগত সমস্যা। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বিচারে পাহাড় কাটার ফলে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়। লামা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কাটার অভিযোগ পেয়ে প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে। কয়েকটি স্থানে পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।আরো পড়ুন: পুরোনো ঘটনা, নতুন বিতর্ক: আপেল মাহমুদকে ঘিরে অপপ্রচার !একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, আগে অনেক জায়গায় রাতের অন্ধকারে পাহাড় কাটা হতো। এখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঈন উদ্দিন নজরদারির কারণে অনেকটাই কমে গেছে এবং পর্যটন সম্ভাবনাময় এলাকা হওয়ায় লামা উপজেলায় বিভিন্ন জায়গায় রিসোর্ট ও কটেজ নির্মাণের প্রবণতা বেড়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, এসব স্থাপনার অনেকগুলোই পরিবেশগত ছাড়পত্র বা প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়া নির্মাণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। কয়েকটি রিসোর্ট ও কটেজে জরিমানা এবং কিছু ক্ষেত্রে কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা জানান, পর্যটন উন্নয়ন অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু সেটি আইন মেনে করতে হবে। পরিবেশ ধ্বংস করে কোনো উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য নয়। লামা উপজেলায় লাইসেন্সবিহীন ইটভাটার বিরুদ্ধেও প্রশাসনের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত কিছু ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে এবং কিছু ভাটা বন্ধের নির্দেশ ও দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঈন উদ্দিন। তবে পরিবেশকর্মীদের মতে, এসব অভিযানের ফলে পরিবেশ দূষণ কমানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।শুধু প্রশাসনিক অভিযান নয়, সামাজিক কর্মকাণ্ডেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈন উদ্দিনের সম্পৃক্ততার কথা স্থানীয়রা উল্লেখ করেছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, জনসচেতনতা কর্মসূচি এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের কারণে তিনি স্থানীয়দের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছেন।একজন শিক্ষক বলেন, তিনি প্রায়ই স্কুল-কলেজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়ে সচেতনতা তৈরি করার চেষ্টা করেন। তবে প্রশাসনের এসব তৎপরতার কারণে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অসন্তুষ্ট হয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কিছু ব্যক্তি দাবি করেন, প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে যারা অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্বার্থে আঘাত লাগায় তারা বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে।একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, অবৈধ ব্যবসা বন্ধ হলে অনেকের স্বার্থে আঘাত লাগে। তাই কিছু মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।আরো পড়ুন: আকাশে ঝড়ের ছায়া পাঁচ দিন ধরে বজ্রবৃষ্টি পূর্বাভাসসাম্প্রতিক সময়ে ভিক্তিহীন ভাবে ত্রয়োদশ নির্বাচন ঘিরে সেন্টরে সিসি ক্যামেরা বসানো নিয়ে একটি সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লামা উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে নানা ধরনের পোস্ট ও মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও আবার কেউ কেউ সমালোচনাও করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে অনেক সময় যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিভিন্ন মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে, যা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে। লামা উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা ও পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে বলে অনেকেই মনে করছেন।একজন স্থানীয় কৃষক বলেন, আগে নদী থেকে অবাধে বালু তোলা হতো। এখন প্রশাসন ব্যবস্থা নেওয়ায় অনেকটা বন্ধ হয়েছে। আরেকজন বাসিন্দা বলেন, অবৈধ কাজ বন্ধ হলে এলাকার পরিবেশ ভালো থাকবে। এতে সাধারণ মানুষেরই উপকার।এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন অনুযায়ী সকল ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনের লক্ষ্য হলো আইন প্রয়োগের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা এবং জনস্বার্থ নিশ্চিত করা। প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা বলেন, আইন সবার জন্য সমান। যে কেউ অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। তবে এসব ক্ষেত্রে প্রমাণ, আইনি প্রক্রিয়া এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।আরো পড়ুন: আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবসসাম্প্রত্তিক, বান্দরবানের লামা উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে কিছু সুবিধাবাদী মহলের কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে এক শ্রেণির ব্যক্তি সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প, অনুদান বা কাজের বিষয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত সুবিধা না পেলে অনেক সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রশাসনের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চালানোর প্রবণতাও দেখা যায়। প্রকৃত সাংবাদিকতা সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কোনো পরিচয় ব্যবহার করলে তা শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রমেই নয়, পেশাদার সাংবাদিকতার ভাবমূর্তিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তারা মনে করেন, সরকারি উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা এবং যাচাই-বাছাই করে তথ্য উপস্থাপন করাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। একই সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আইন ও নীতিমালা অনুসরণ করে স্বচ্ছভাবে কাজ পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।একজন আইনজীবী বলেন, যেকোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপ আইনের কাঠামোর মধ্যেই হতে হবে। একই সঙ্গে অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকেও সবাইকে বিরত থাকতে হবে। সব মিলিয়ে লামা উপজেলায় প্রশাসনিক তৎপরতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বিতর্ক সব মিলিয়ে বিষয়টি এখন স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রে। স্থানীয়দের আশা, প্রশাসনের উদ্যোগের ফলে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে। একই সঙ্গে তারা চান, উন্নয়ন ও আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক।আরও পড়ুন: অসত্য অভিযোগে চ্যালেঞ্জ, কঠোর হুঁশিয়ারি আপেল মাহমুদেরউপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঈন উদ্দিন বলেন, লামা উপজেলার পরিবেশ, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন নিয়মিতভাবে আইন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা রয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলন, পাহাড় কাটা, লাইসেন্সবিহীন ইটভাটা কিংবা অনুমতিহীন রিসোর্ট নির্মাণ এসব কার্যক্রম পরিবেশ ও জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। তাই এসব বিষয়ে সরকার ঘোষিত নীতিমালা ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের এই কার্যক্রম কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়, বরং আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার জন্য। কেউ যদি বিভ্রান্তিকর তথ্য বা অপপ্রচার ছড়ায়, তবুও আমরা আইন মেনে দায়িত্ব পালন করে যাব। জনগণের সহযোগিতা থাকলে লামাকে একটি সুশৃঙ্খল ও পরিবেশবান্ধব উপজেলায় পরিণত করা সম্ভব হবে।এবিষয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শামীম আরা রিনি বলেন, বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঈন উদ্দিন সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছেন। অবৈধ বালু উত্তোলন, পাহাড় কাটা, লাইসেন্সবিহীন ইটভাটা এবং অনুমতিহীন রিসোর্ট বা কটেজ নির্মাণের মতো পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের যে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, তা সম্পূর্ণভাবে আইন ও প্রশাসনিক নির্দেশনা মেনেই করছে এবং তিনি এমনই একজন ইউএনও বলতে গেছে আমার বান্দরবান জেলায় শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে আমি মনে করি।আরো পড়ুন: অসত্য অভিযোগে চ্যালেঞ্জ, কঠোর হুঁশিয়ারি আপেল মাহমুদেরসরকার পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। সেই ধারাবাহিকতায় লামা উপজেলায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও প্রশাসনিক কার্যক্রম জনস্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। ইউএনও মঈন উদ্দিন এই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা লক্ষ্য করছি, কখনো কখনো প্রশাসনের নিয়মিত কার্যক্রম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য বা অপপ্রচার ছড়িয়ে ভুল ধারণা তৈরির চেষ্টা করা হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রশাসনের স্বাভাবিক দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করার এবং যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানাচ্ছি।

লামায় প্রশাসনিক কঠোরতায় আলোচনায় ইউএনও মঈন উদ্দিন