দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের বিতর্কিত ধারা বাতিলের সুপারিশ

সংকটে পড়া ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীদের শর্তসাপেক্ষে আবার শেয়ার, সম্পদ ও দায় নেওয়ার সুযোগ দিয়ে রাখা বিতর্কিত ধারা বাতিলের সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।শনিবার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে ব্যাংক রেজল্যুশন সংশোধন বিলটি যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা শেষে সংশোধিত আকারে সংসদে পাসের জন্য সুপারিশ করা হয়।কমিটির সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন জানান, ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮(ক) ধারা বাতিলের প্রস্তাব নিয়েই বৈঠকে মূলত আলোচনা হয়েছে।তিনি বলেন, আইনের এই ধারা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ঋণের শর্ত হিসেবেও এটি বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে তিনি জানান। সংসদে বিলটি উঠলে তা পাস হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ জারি করা হয়।আরও  পড়ুন, ডিজিটাল পেমেন্টে মিলবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে অধ্যাদেশের একটি ধারা পরিবর্তন করে পুরোনো ও বিতর্কিত মালিকদের ফেরার সুযোগ রাখা হয়। এ নিয়ে সংসদের ভেতরে-বাইরে সমালোচনা তৈরি হয়।পরবর্তীতে ব্যাপক আপত্তির মুখে গত ১০ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনের ১৮(ক) ধারা বাতিলের সংশোধনী অনুমোদন করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার সংশোধনী বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।বৈঠকে দেশের আর্থিক খাতের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ জানান সাইফুল আলম খান মিলন। তাঁর ভাষ্য, অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হলে এর প্রভাব সবার ওপর পড়বে। তাই সরকারকে সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।একই সঙ্গে একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের সম্পদ ও দায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী পর্যালোচনারও দাবি জানান তিনি।এখন সংসদে সংশোধনী বিলটি পাস হলে ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হবে।

ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের বিতর্কিত ধারা বাতিলের সুপারিশ