ঈদকে সামনে রেখে বিপনী বিতান গুলোতে উপচে পড়া ভিড়
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। একমাস সিয়াম সাধনার পর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য্যরে মধ্য দিয়ে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। আর এ ঈদকে সামনে রেখে মার্কেটের পোশাকের দোকানগুলোতে উপচেপড়া ভিড় এবং দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ ক্রেতাদের। বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলা সদরের নিউ মার্কেট, চেয়ারম্যান সুপার মার্কেট, মৌ-প্লাজা, জোবেদা সপিং সেন্টার, সুরুজ আলী সুপার শপ সহ বেশ কয়েকটি পোশাকের দোকানে ক্রেতাদের ভীড় লক্ষ্য করার মতো। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা বাহারী রংয়ের আধুনিক পোশাকে দোকানকে সুসজ্জিত করে পশরা সাজিয়ে বসে আছেন। আরও পড়ুন, বাগেরহাটে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের বাজারউপজেলা সদরের মার্কেটের বিভিন্ন দোকান ঘুরে ও দোকানীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবার ঈদকে সামনে রেখে ফার্সী(২হাজার ৫’শ টাকা হতে ৮হাজার টাকা), মরক্কো(৩হাজার টাকা হতে ৯হাজার টাকা), পাকিস্তান (২হাজার৫'শ টাকা থেকে ৮ হাজার টাকা),আফগান(২হাজার ৫’শ টাকা হতে ৮হাজার ৫’শ টাকা), গ্রাউন(১হাজার টাকা হতে ৪হাজার ৫’শ টাকা) লেহেঙ্গা(২হাজার টাকা হতে ৭হাজার টাকা), শিশুদের কটি সেট(৭’শ টাকা হতে ২হাজার টাকা), রেডিমেট থ্রি-পিচ(১হাজার ২’শ টাকা হতে ৬হাজার টাকা) ও পাঞ্জাবী (৬’শ টাকা হতে ২হাজার ৫’শ টাকায়) বেচা-কেনা করতে দেখা গেছে। দোকানীদের ভাষ্য তরুণীদের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে ফার্সী, পাকিস্তান, মরক্কো ও আফগান নামের পোশাক। এছাড়াও জিন্স ওয়াশ, গ্যাবাডিং ও মোবাইল জিন্স এর প্যান্ট তরুণদের চাহিদা বেশি লক্ষ্য করা গেছে।পাশাপাশি সিট কাপড়, শাড়ির দোকান, ও সেইসঙ্গে জুতার দোকান গুলোতে প্রচুর ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। দুপচাঁচিয়া উপজেলার পার্শ্ববর্তী ক্ষেতলাল, গোপীনাথপুর, আদমদীঘি ও নন্দীগ্রাম উপজেলার অনেক ক্রেতা দুপচাঁচিয়ায় ঈদের কেনাকাটা করতে আসায় তুলনামূলক ভীড় বেশি হয়। তবে ক্রেতাদের বেশির ভাগই মহিলা। আরও পড়ুন, জাল সনদ ব্যবহারের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাকেনাকাটা করতে আসা ক্ষেতলাল আলামপুর এলাকার শ্রাবন্তী আক্তার ও সোনালী পারভীন জানান, দুপচাঁচিয়ায় পোশাকের দোকানগুলোতে পছন্দের পোশাক পাওয়া যায়। তাই এখানে কেনা-কাটা করতে এসেছি। তবে পছন্দ হওয়া পোশাকের দাম দোকানীরা কমাতে চায় না। দাম একটু বেশি নিচ্ছে। উপজেলা পাওগাছা থেকে কেনাকাটা করতে আসা রাশেদুল ইসলাম রুপবেল জানান দুপচাঁচিয়া বিপনী বিতান ঈদে মার্কেটে ভালো ভালো পোশাক পাওয়া যায় সেজন্য আমি কেনা-কাটা করতে এসেছি আমার সাধ্যমধ্যে আমি সবকিছু কিনতে পেরেছি, জিনিসের তুলনায় আমার কাছে দাম খুব একটা বেশি মনে হয়নি। এব্যাপারে মডার্ণ গার্মেন্টস্ এর পরিচালক বাবলু হোসেন বলেন,বাজারে পাইকারি পর্যায়েই অনেক পণ্যের দাম বেড়েছে। যার কারণে খুচরা পর্যায়েও কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি আরো বলেন ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে না। পরিবহন খরচ ও পাইকারি দামের প্রভাবেই খুচরা বাজারে পণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে ক্রেতাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে তাদের সাধ্যমতো সহনীয় দামে পণ্য বিক্রি করার চেষ্টা করছি।