দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

কম দামে পোশাক বিক্রির পরও ইইউ বাজারে অর্ডার কমছে, চাপে বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে কম দামে পোশাক বিক্রি করেও প্রত্যাশিত অর্ডার পাচ্ছে না বাংলাদেশ। বরং মূল্যছাড় দিয়েও কমছে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি। এতে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্পে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।ইউরোস্ট্যাটের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি সময়ে ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২৮৯ কোটি ইউরো। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৯ দশমিক ২৬ শতাংশ কম।বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু অর্ডার কমে যাওয়াই নয়—কম দামে পণ্য বিক্রির প্রবণতাও এই পতনের বড় কারণ। এ সময়ে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ইউনিট মূল্য কমেছে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। একই সঙ্গে রপ্তানি ভলিউমও কমেছে ১১ দশমিক ১৪ শতাংশ।আরও পড়ুন , ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত পিকাপে আগুন, এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ বিজিএমইএর নেতা মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এখন সবচেয়ে বড় চাপ হচ্ছে মূল্য কমানো। কিন্তু উৎপাদন ব্যয় না কমায় কারখানাগুলোর মুনাফা মারাত্মকভাবে কমে যাচ্ছে।খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশেষ করে টি-শার্ট, ট্রাউজার ও সোয়েটারের মতো বেসিক পণ্যে ক্রেতাদের দর-কষাকষি বেড়েছে। এতে অনেক কারখানা ডিসকাউন্ট দিয়েও কাঙ্ক্ষিত অর্ডার পাচ্ছে না।বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ এখনো কম দামের বেসিক পোশাকের ওপর বেশি নির্ভরশীল। অন্যদিকে চীন ও ভিয়েতনামের মতো দেশ উচ্চমূল্যের ফ্যাশন ও টেকনিক্যাল টেক্সটাইল পণ্যে গুরুত্ব দেওয়ায় তারা তুলনামূলকভাবে বাজারের চাপ সামাল দিতে পারছে।

কম দামে পোশাক বিক্রির পরও ইইউ বাজারে অর্ডার কমছে, চাপে বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত