গাজীপুর বাসন থানাস্থ চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় কাঁচা বাজার নিয়ে এ যেন ধুয়াষার শেষ নেই। আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি। বর্তমান দখলদার হাজী নুরুল হক ও তার ভাগ্নে হাবিবুল্লাহ বর্তমানে একক ভাবে দখলে আছেন। যদিও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায়। যার কারণে অন্য পাচ ওয়ারিশের খোঁজ খবর রাখছেন না। অংশের চাইতেও পাঁচ গুণ বেশি জবরদখল করে খাচ্ছেন নুরুল হক। এমনটাই অভিযোগ বাকী ওয়ারিশ ও স্থানীয়দের।আরও পড়ুন, গাজীপুরে একটি গাড়ির গ্যারেজ, পার্টস ও মবিলের দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেতথ্যসূত্র জানা যায়, মোট দখরত ৭২শতাংশ জমির মধ্যে প্রায় বিশ শতাংশর মালিক নুরুল হক। কিন্তু নিজের আধিপত্য বিস্তার করে পুরো ৭২ শতাংশ জমি ভোগ দখল করছেন। যদিও মাত্র চার মাস আগে উচ্চ আদালতের নির্দেশ ও বিশৃঙ্খলা এরাতে সকল ওয়ারেশগণকে কঠোর নির্দেশনা দেন সাবেক পুলিশ কমিশনার। এবং বাজার থেকে উত্তোলনরত টাকা বৈধভাবে সকলেই অংশ মোতাবেক বুঝে নিতেন। কিন্তু নুরুল হক একচ্ছত্র দখল নেয়। যার কারনে অন্য ওয়ারিশগন এখন বানের জলে ভাসছে। সংসারের অভাব, বাজারকেন্দ্রিক বিভিন্ন মামলা য় জর্জরিত হয়ে মানবতার জীবন যাপন করছেন বাকি ওয়ারিশগণ।আরও পড়ুন, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরে লামায় প্রেস ব্রিফিংকয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, দুই এক দিন পর পর এখানে গ্যাঞ্জাম হয়। কিছুদিন আগে গ্যাঞ্জাম হওয়ার পরে পুলিশ আসে, অতঃপর পুলিশকে ঘেরাও করে নুরুল হক। এবং পুলিশকে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিয়ে এলাকা ত্যাগ করান। স্থানীয়রা আরো ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উনি হজ করে আসছেন অনেকদিন আগে, তবে ওয়ারেশগণের জমি আত্মসাৎ করে হজ করলে মানুষ তাকে কখনোই মূল্যায়ন করবে না। এর আগে আওয়ামী লীগ নেতা সোবাহানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েও তিনি ওয়ারিশদেরকেই বিতারিত করেছিলেন।আরও পড়ুন, সোনারগাঁ কলেজ রোডে তীব্র যানজট, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষএছাড়াও কয়েকজন সাংবাদিক, তৎকালীন দখলদার আব্দুস সোবহানের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় মামলা ও হামলার শিকার হয়েছিলেন। তাদেরো খোঁজ খবর নেন না নুরুল হক এমনকি তাদের বিরুদ্ধেও গত কয়েকদিন যাবত অপপ্রচার চালাচ্ছেন নুরুল হক। এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ঢাকা ও গাজীপুরের কয়েকটি সংগঠন ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার থাকলেও স্থানীয় নেতাদের কারণে অবৈধ নূরুল হককে শেল্টার দিচ্ছেন তারা। তবে পুলিশ কমিশনার বলেছেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করেছি। খুব তাড়াতাড়ি শৃঙ্খলা ফিরে আনা হবে এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।