যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসন এবং শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিতে তেহরান সফরে রয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তিনি ইরানের উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নিতে তেহরানের পথে রয়েছেন বলে জানা গেছে। এই সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।আরও পড়ুন, পুনর্নির্বাচনে ফলতা আসনে ৮৬% ভোট রেকর্ডএর আগে গত তিন দিন ধরে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। সেই ধারাবাহিকতার মধ্যেই সেনাপ্রধানের এই আকস্মিক সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, কূটনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে এই সফর চলমান আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করছে। একাংশের মতে, বেসামরিক পর্যায়ের আলোচনা কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় এখন সামরিক পর্যায়ের সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।আরও পড়ুন, বেইজিং সফরে শেহবাজ শরিফঅন্যদিকে কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, আলোচনায় ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং সম্ভাব্য শান্তি ও নিরাপত্তা চুক্তির চূড়ান্ত ধাপ সম্পন্ন করতেই সেনাপ্রধানকে তেহরানে পাঠানো হয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর শুধু কূটনৈতিকভাবে নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। এর আগে আসিম মুনির ইরানে সফরকালে দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন।আরও পড়ুন, অস্বাভাবিক গরমে বিপর্যস্ত ভারতএদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ নিয়ে একটি খসড়া চুক্তির আলোচনা চলছে বলেও আন্তর্জাতিক মহলে জোর গুঞ্জন রয়েছে। সব মিলিয়ে এই সফরকে অনেকেই চলমান শান্তি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।