বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, গত বছরের হার্ট অ্যাটাক তার জীবনের সবচেয়ে বড় মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা। তার মতে, ওই ঘটনাই তাকে মাঠের ক্রিকেট থেকে ধীরে ধীরে সরে এসে ক্রিকেট প্রশাসনে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।আরও পড়ুন, ২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ জিতে ইতিহাস গড়ল আর্সেনালগত বছরের ২৪ মার্চ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে বিকেএসপিতে ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তামিম ইকবাল। মোহামেডানের হয়ে খেলতে নেমেছিলেন তিনি। পরে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার হার্টে রিং পরানো হয় এবং উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন। সেই ম্যাচটিই তার স্বীকৃত ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হয়ে থাকে। এক বছরের ব্যবধানে এখন তামিম ইকবাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।আরও পড়ুন, সালাহকে অধিনায়ক করে বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা মিশরেরসম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তামিম বলেন, হার্ট অ্যাটাকের ঘটনাই তার জীবনের ‘টার্নিং পয়েন্ট’। তিনি জানান, তখন তিনি জাতীয় দলে ফেরার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু ওই ঘটনার পর তিনি বুঝতে পারেন আর উচ্চঝুঁকির ক্রিকেটে ফেরা তার জন্য নিরাপদ নয়। তামিম আরও বলেন, তার সন্তানরা এখনও ছোট এবং শারীরিক অবস্থাও পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল না উচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেটে ফেরার জন্য। তাই তিনি ধীরে ধীরে খেলোয়াড়ি জীবন থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।আরও পড়ুন, বাংলাদেশ এখন সেরা দলের সঙ্গে লড়তে প্রস্তুত : ওয়াসিম আকরামবোর্ড পরিচালনায় নতুন ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, মাঠের ক্রিকেট আর বোর্ড রুমের দায়িত্ব সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা। তবে তিনি খেলোয়াড়দের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান করতে চান বলে জানান। তার লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার মান উন্নত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন্য আরও ভালো পরিবেশ তৈরি করা। তামিম স্বীকার করেন, একা সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, তবে তিনি দায়িত্ব নিয়ে ধাপে ধাপে পরিবর্তনের চেষ্টা করবেন।