দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগের অবসানের আশায়: নাগেশ্বরীর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ পরিদর্শনে সাইফুর রহমান রানা
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা-আয়নালের ঘাট সড়কের কেদার মহিলা কলেজ সংলগ্ন দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি অবশেষে সংস্কারের আশার আলো দেখতে শুরু করেছে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও দুর্ভোগের প্রেক্ষাপটে ব্রিজটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট জননেতা সাইফুর রহমান রানা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কচাকাটা বাজারের পশ্চিম পাশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রিজটি বছরের পর বছর ধরে অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। ব্রিজটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় এটি বর্তমানে চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে কেদার মহিলা কলেজের শত শত শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ঝুঁকি নিয়ে চলাচলের কারণে ছোট-বড় দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত।রবিবার সকালে সাইফুর রহমান রানা ব্রিজটি পরিদর্শনে গেলে স্থানীয় জনগণ তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি ব্রিজটির বেহাল অবস্থা দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত সংস্কারের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।আরও পড়ুন, কালুখালীতে জামায়াত নেতা আসাদুল হত্যার প্রতিবাদে রাজবাড়ীতে মানববন্ধনপরিদর্শন শেষে সাইফুর রহমান রানা বলেন,এই ব্রিজটি শুধু একটি যোগাযোগ মাধ্যম নয়, এটি এলাকার শিক্ষা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ যে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি ইতোমধ্যে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনেছি। অতি দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। জনগণের কষ্ট লাঘব করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।তার এই উদ্যোগে স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কেদার মহিলা কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন,প্রতিদিন ভাঙা ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ পার হয়ে কলেজে যেতে হয়। এতে সবসময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। আজ স্যার এসে দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা আশা করি, খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ব্রিজটি সংস্কারের দাবি জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তবে সাইফুর রহমান রানার সরেজমিন পরিদর্শন ও আশ্বাসের পর নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন তারা।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত সংস্কারকাজ বাস্তবায়িত হলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমবে এবং বহুদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনদুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান হবে।