২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের টিকিট বিক্রি আবার শুরু হয়েছে। কিন্তু টিকিটের দাম নিয়ে অনেকেই ক্ষুব্ধ। বুধবার টিকিট বিক্রির ওয়েবসাইট আবার চালু হওয়ার পর দেখা গেছে, ফাইনাল ম্যাচের সেরা টিকিটের দাম বাড়িয়ে ১০,৯৯০ ডলার করা হয়েছে।এই দাম প্রায় ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ডিসেম্বর মাসে এই টিকিটের দাম ছিল ৮,৬৮০ ডলার। কয়েক মাসের মধ্যে দাম কয়েক গুণ বেড়েছে। এবারের বিশ্বকাপে ফিফা 'ডায়নামিক প্রাইসিং' নামে একটি পদ্ধতি ব্যবহার করছে। এর মানে চাহিদা বাড়লে টিকিটের দামও বাড়ে। ফাইনাল ম্যাচ নয়, গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোর টিকিটের দামও অনেক বেশি। মেক্সিকো বনাম সৌদি আরবের প্রথম ম্যাচের টিকিটের দাম প্রায় ২,৯৮৫ ডলার।কানাডার প্রথম ম্যাচের টিকিটের দামও বেড়েছে। তবে ভালো খবর হলো, ফুটবল ভক্তরা এবার লটারির বদলে নিজেদের পছন্দের আসন বেছে নিতে পারবেন। টিকিট বিক্রির এই প্রক্রিয়া মোটেও সহজ ছিল না। বুধবার ওয়েবসাইট চালু হওয়ার পর অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। অনেকে ভুল লিঙ্কে প্রবেশ করে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন। ফিফা দাবি করেছে যে, সব সমস্যা সমাধান করা হয়েছে।আরও পড়ুন, বার্সার নারীরা রিয়ালকে উড়িয়ে দিলেন নারী ক্লাসিকোতে সর্বকালের সবচেয়ে বড় জয়ফিফা আরও জানিয়েছে, সব টিকিট এখনই ছাড়া হয়নি; টুর্নামেন্ট চলাকালীন আরও টিকিট ছাড়া হবে। ফিফার এই দাম নির্ধারণের নীতি নিয়ে আমেরিকার রাজনীতিকরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। মার্কিন কংগ্রেসের ৬৯ জন সদস্য ফিফা প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, এই পদ্ধতি ফুটবলকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। তাদের মতে, ২০২৬ বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল আসর হতে যাচ্ছে।আরও পড়ুন, আর্জেন্টিনা-মেসির কেরালা সফর বাতিল ক্রীড়ামন্ত্রীর অভিযোগএখানে সাধারণ ভক্তদের চেয়ে ধনকুবেরদের প্রাধান্য বেশি। তবে ফিফা সভাপতি দাম বৃদ্ধির পেছনে অভাবনীয় চাহিদাকে দায়ী করে বলেছেন, তারা আইনি পথেই এই বাণিজ্য করছেন। বর্তমানে ফুটবল দুনিয়ায় ৪৮ দলের এই বিশাল আয়োজন ঘিরে অনেক উত্তেজনা রয়েছে। কিন্তু টিকিটের উচ্চমূল্য নিয়ে সাধারণ ভক্তদের মনে বড় আক্ষেপও তৈরি হয়েছে।