ঈদের পর ফাঁকা ঢাকায় চড়া সবজি, ক্রেতাশূন্য বাজার
পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির পর রাজধানী ঢাকা এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারেনি। অধিকাংশ মানুষ গ্রামে অবস্থান করায় ফাঁকা নগরীর প্রভাব পড়েছে কাঁচাবাজারেও। ক্রেতার সংখ্যা কমে যাওয়ায় অনেক বাজারে বিক্রি প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। শুক্রবার (২৯ মে) শেওড়াপাড়া, তালতলা এবং আশপাশের কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ দোকানই এখনও বন্ধ। যেসব দোকান খোলা রয়েছে, সেখানে ক্রেতার উপস্থিতি খুবই কম।আরও পড়ুন, ঈদে দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি, ঈদের পরে ফিরবে আগের সময়সূচিশেওড়াপাড়া বাজারের সবজি বিক্রেতা ডালিম বলেন, ঈদের পর বাজারে ক্রেতা নেই বললেই চলে। দিনে মাত্র কয়েকজন আসছেন, তারাও অল্প অল্প করে কেনাকাটা করছেন। বেচাকেনা না থাকায় দোকানে বসে সময় কাটাতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, ঈদের কারণে দূরদূরান্ত থেকে পণ্যবাহী ট্রাক কম আসছে, ফলে আড়তে সরবরাহও কম। এতে পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে খুচরা বাজারেও প্রভাব পড়েছে।আরও পড়ুন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট, বাড়ছে ঋণনির্ভরতাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, পটল ও ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি প্রায় ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। টমেটো ১০০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে ক্রেতা কম থাকলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সরবরাহ সংকটের অজুহাতে দাম ধরে রাখছেন।আরও পড়ুন, চামড়ার ন্যায্যমূল্য মিলছে না, বিপর্যয়ের মুখে শিল্পখাতএদিকে ঈদের পর সবচেয়ে বেশি শূন্যতা দেখা গেছে মাছ ও মাংসের বাজারে। কোরবানির কারণে অনেকের ঘরেই মাংস মজুত থাকায় গরু ও ব্রয়লার মুরগির চাহিদা কমেছে। তবে মাছের বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম তুলনামূলকভাবে আগের মতোই চড়া রয়েছে। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, আগামী সপ্তাহে অফিস-আদালত পুরোদমে চালু হলে এবং মানুষ ঢাকায় ফিরতে শুরু করলে বাজার ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।