প্রথমবারের মতো একসঙ্গে ৯টি কবর খুড়ে কাজ করলেন মজুিবর, বারেক, রমজান
জীবনের প্রথম একদিনে একসঙ্গে ৯টি কবর খুড়লেন মোংলা পৌর কবরস্থানের গোরখোদক মুজিবর, বারেক ও রমজান। শুক্রবার সকালে তারা এ কবরগুলো খুড়া শুরু করেন। দুপুরের আগেই তারা একে একে খনন করেন ৯টি কবর। তার মধ্যে রয়েছে ৭টি বড় ও ২টি শিশু বাচ্চার কবর। বৃহস্পতিবার বিকেলে সড়ক দুর্ঘটনায় মোংলার সাত্তার লেনের বাসিন্দা আ. রাজ্জাক পরিবারের ৯ জন নিহত হয়। রাতে তাদের মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। এরপর প্রস্তুতি নেওয়া হয় গোসল, জানাজা ও দাফনের। পরিবারের ইচ্ছায় পৌর কবরস্থানে তাদেরকে দাফন করা হবে। আরো পড়ুন , বিদ্যুতায়িত ড্রামট্রাকে মেহেরপুরে নিহত চালকমোংলা পৌর কবরস্থানের গোরখোদক মুজিবর, বারেক ও রমজান বলেন, আমরা ১৮ থেকে ২০ বছর ধরে কবর খুড়ার কাজ করি। কিন্তু একদিনে একসঙ্গে এমন ৯টি কবর কোনদিন এর আগে খুড়িনি। জীবনে প্রথম আজ এমন কাজ করেছি, তা আবার এক পরিবারের ৯ জনের। তাই ৯টা কবরই এক জায়গায় পাশাপাশি খুড়েছি। এ ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক, যা কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।এর আগে, বৃহস্পতিবার বাগেরহাটের রামপালে বেলাই ব্রিজ এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় বর-কনেসহ ১৪ জন নিহত হন।দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- বর আহাদুর রহমান সাব্বির, তার বাবা আব্দুর রাজ্জাক, বরের ভাই আব্দুল্লাহ সানি, বোন উম্মে সুমাইয়া ঐশী, তাঁর ছেলে সামিউল ইসলাম ফাহিম, বড় ভাই আশরাফুল আলম জনির স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকা পুতুল, তাদের ছেলে আলিফ, আরফা, ইরাম। কনে মার্জিয়া আক্তার (মিতু), তার ছোট বোন লামিয়া আক্তার, দাদী রাশিদা বেগম ও নানী আনোয়ারা বেগম এবং মাইক্রোবাস চালক নাঈম।