ইরানে আকাশ প্রতিরক্ষা পাঠাতে পারে চীন—গোয়েন্দা তথ্যে নতুন উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে আলোচনায় চীন-ইরান সামরিক সহযোগিতা। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অস্ত্র চালান তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে গোপনে পাঠানোর পরিকল্পনা থাকতে পারে।সূত্রগুলো জানায়, কাঁধে বহনযোগ্য অ্যান্টি-এয়ার মিসাইল সিস্টেম ইরানে সরবরাহের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।তবে চীন-এর পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। বেইজিং বলছে, তারা সংঘাতে কোনো পক্ষকেই অস্ত্র সরবরাহ করেনি।এদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি ঘিরে অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি। ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনায় দুই পক্ষ অংশ নিলেও পারস্পরিক অভিযোগে পরিস্থিতি জটিল রয়ে গেছে।বিশ্লেষকদের মতে, যদি চীন সত্যিই ইরানকে প্রতিরক্ষা সহায়তা দেয়, তাহলে তা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে চীন-ইরান সামরিক সহযোগিতা নিয়ে প্রকাশিত তথ্য। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরান-এ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।গোয়েন্দা আরো পড়ুন , ইরানকে ‘পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত’ রাখাই চুক্তির শর্ত—হরমুজ খুলতে কড়া বার্তা ট্রাম্পেরমূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরান বর্তমান যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে এবং এ ক্ষেত্রে বিদেশি অংশীদারদের সহায়তা নিতে পারে।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চীন সরাসরি নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহের পরিকল্পনা করতে পারে, যাতে এর উৎস গোপন রাখা যায়।বিশেষ করে কাঁধে বহনযোগ্য অ্যান্টি-এয়ার মিসাইল সিস্টেম সরবরাহের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।তবে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত চীনা দূতাবাস এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য, চীন কখনোই কোনো সংঘাতে পক্ষ নিয়ে অস্ত্র সরবরাহ করে না এবং এই ধরনের খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।এদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চললেও পরিস্থিতি এখনও ভঙ্গুর। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে।শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে ইসলামাবাদে আলোচনা চললেও চুক্তির শর্ত নিয়ে মতপার্থক্য স্পষ্ট।বিশ্লেষকদের মতে, চীন যদি বাস্তবেই ইরানকে সামরিক সহায়তা দেয়, তবে তা শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।