চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে পৃথক তিনটি বিশেষ অভিযানে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা, দেশীয় অস্ত্র ও চারটি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১৩ মামলার আসামি শাহ আলমও রয়েছেন। সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ)-এর দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী)-এর তত্ত্বাবধানে ওসি মোহাম্মদ একরাম উল্লাহর সার্বিক নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল থেকে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভোর পর্যন্ত এসব অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিট থেকে রাত ২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সদরঘাটের সাহেবপাড়া, কদমতলী ও পুরাতন কাস্টম রেলওয়ে কলোনিসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ওসি একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে মোবাইল-২৪, স্পেশাল-২৪ ও লিমা-২৪ নৈশ টিমের সদস্যরা সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার অভিযোগে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. হাবিবুর রহমান, মো. আজগর আলী, মো. রাজু, মো. জীবন (২৬), মো. আব্দুস শহিদ, রাকিবুল ইসলাম মানিক, মো. সাজ্জাদ হোসেন ওরফে রাহি, মো. জীবন (২৮), মো. ইউসুফ, মো. রাকিব, মো. হাসান, মো. রুবেল সাজি, মো. অলি, মো. ফাহিম ইসলাম, মো. শাহজাহান হায়দার, মো. ফাহিম, মো. রাসেল, মো. সাইফুল, মো. মনির ও মো. ইব্রাহিম। পুলিশের দাবি, গভীর রাতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থানের বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারায় তাঁদের বিরুদ্ধে সিএমপি অধ্যাদেশের ৮৮(ডি) ও ১০৩ ধারা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে ওসি মোহাম্মদ একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে এসআই আব্দুল্লাহ আল নোমান ও তাঁর সহযোগী পুলিশ সদস্যরা আইস ফ্যাক্টরি রোডের রেলওয়ে স্টেশন কলোনিতে অভিযান চালিয়ে শাহ আলম (২৫), তুষার হাসান (২২) ও তাজুল ইসলামকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেন।
আরও পড়ুন,সাতক্ষীরায় সুপারির বাণিজ্য ২২ কোটি টাকার বেশি, বাড়ছে আবাদ ও কৃষকের আগ্রহ
এ সময় একটি কিরিচ, একটি রামদা, একটি লোহার হুক ও চারটি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শাহ আলমের বিরুদ্ধে নগরের বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে ১৩টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারায় সদরঘাট থানায় মামলা হয়েছে। অপরদিকে, একই দিন বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে ওসি একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে এসআই হিরক সিংহ ও তাঁর দল আইস ফ্যাক্টরি রোডের রেলওয়ে স্টেশন কলোনি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে অভিযান চালিয়ে নোয়াখালীর চাটখিলের বাসিন্দা রুবেল হোসেনকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেন। তাঁর হেফাজত থেকে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পৃথক তিন অভিযানে মোট ২৬ জনকে গ্রেপ্তার এবং ইয়াবা, দেশীয় অস্ত্র ও চোরাই মোবাইল উদ্ধারের মধ্য দিয়ে সদরঘাট থানা পুলিশের অপরাধবিরোধী তৎপরতা সামনে এসেছে। ওসি মোহাম্মদ একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালিত এসব অভিযান মাদক নিয়ন্ত্রণ, ছিনতাই প্রতিরোধ এবং নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চলমান কার্যক্রমের অংশ বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে পৃথক তিনটি বিশেষ অভিযানে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা, দেশীয় অস্ত্র ও চারটি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১৩ মামলার আসামি শাহ আলমও রয়েছেন। সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ)-এর দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালী)-এর তত্ত্বাবধানে ওসি মোহাম্মদ একরাম উল্লাহর সার্বিক নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল থেকে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভোর পর্যন্ত এসব অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিট থেকে রাত ২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সদরঘাটের সাহেবপাড়া, কদমতলী ও পুরাতন কাস্টম রেলওয়ে কলোনিসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ওসি একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে মোবাইল-২৪, স্পেশাল-২৪ ও লিমা-২৪ নৈশ টিমের সদস্যরা সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার অভিযোগে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. হাবিবুর রহমান, মো. আজগর আলী, মো. রাজু, মো. জীবন (২৬), মো. আব্দুস শহিদ, রাকিবুল ইসলাম মানিক, মো. সাজ্জাদ হোসেন ওরফে রাহি, মো. জীবন (২৮), মো. ইউসুফ, মো. রাকিব, মো. হাসান, মো. রুবেল সাজি, মো. অলি, মো. ফাহিম ইসলাম, মো. শাহজাহান হায়দার, মো. ফাহিম, মো. রাসেল, মো. সাইফুল, মো. মনির ও মো. ইব্রাহিম। পুলিশের দাবি, গভীর রাতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থানের বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারায় তাঁদের বিরুদ্ধে সিএমপি অধ্যাদেশের ৮৮(ডি) ও ১০৩ ধারা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে ওসি মোহাম্মদ একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে এসআই আব্দুল্লাহ আল নোমান ও তাঁর সহযোগী পুলিশ সদস্যরা আইস ফ্যাক্টরি রোডের রেলওয়ে স্টেশন কলোনিতে অভিযান চালিয়ে শাহ আলম (২৫), তুষার হাসান (২২) ও তাজুল ইসলামকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেন।
আরও পড়ুন,সাতক্ষীরায় সুপারির বাণিজ্য ২২ কোটি টাকার বেশি, বাড়ছে আবাদ ও কৃষকের আগ্রহ
এ সময় একটি কিরিচ, একটি রামদা, একটি লোহার হুক ও চারটি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শাহ আলমের বিরুদ্ধে নগরের বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে ১৩টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারায় সদরঘাট থানায় মামলা হয়েছে। অপরদিকে, একই দিন বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে ওসি একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে এসআই হিরক সিংহ ও তাঁর দল আইস ফ্যাক্টরি রোডের রেলওয়ে স্টেশন কলোনি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে অভিযান চালিয়ে নোয়াখালীর চাটখিলের বাসিন্দা রুবেল হোসেনকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেন। তাঁর হেফাজত থেকে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পৃথক তিন অভিযানে মোট ২৬ জনকে গ্রেপ্তার এবং ইয়াবা, দেশীয় অস্ত্র ও চোরাই মোবাইল উদ্ধারের মধ্য দিয়ে সদরঘাট থানা পুলিশের অপরাধবিরোধী তৎপরতা সামনে এসেছে। ওসি মোহাম্মদ একরাম উল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালিত এসব অভিযান মাদক নিয়ন্ত্রণ, ছিনতাই প্রতিরোধ এবং নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চলমান কার্যক্রমের অংশ বলে পুলিশ জানিয়েছে।
