ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, যুবসমাজ একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। এই শক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হলে নৈতিকতা, আদর্শ ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হবে। দেশ ও জাতির প্রকৃত মুক্তি, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আদর্শের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, রাজনীতি কি খাওয়ার জায়গা, নাকি খেদমতের জায়গা? পোস্টারে লেখা থাকে ‘সেবা করার সুযোগ দিন’, অথচ ক্ষমতায় যাওয়ার পর বলা হয়, এতদিন খেতে পারেননি। যতদিন রাজনীতিকে ব্যবসার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হবে, ততদিন মানুষের প্রকৃত খেদমত সম্ভব নয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে নরসিংদী বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমসাময়িক রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও দ্বিচারিতার সমালোচনা করে ফয়জুল করীম আরও বলেন, বিগত নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে একটি জোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু কিছু মুনাফিকের কারণে সেই আদর্শ ও চরিত্রকে স্থায়ী করা সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত
তিনি বলেন, প্রত্যেককে নিজের নীতি, আদর্শ ও চরিত্র ঠিক রাখতে হবে। যে সত্য কথা বলবে, তার পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। আর যে মিথ্যা বলবে কিংবা খারাপ কাজ করবে, সে নিজের শত্রু হলেও তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার সভাপতি মুফতী সাঈদ আহমদ সরকারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতী মনসুর আহমদ সাকী, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মাওলানা আরিফ বিন মেহের উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব আশরাফ হোসেন ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনির হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা আরিফুল ইসলাম মোল্লাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার পূর্ববর্তী কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মাওলানা মোবারক হোসাইন, সহসভাপতি হিসেবে মাওলানা মাহমুদুল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাওলানা জহিরুল ইসলামকে নির্বাচিত করা হয়।
বিষয় : ইসলামী আন্দোলন ফয়জুল করীম

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, যুবসমাজ একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। এই শক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হলে নৈতিকতা, আদর্শ ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হবে। দেশ ও জাতির প্রকৃত মুক্তি, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ইসলামী আদর্শের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, রাজনীতি কি খাওয়ার জায়গা, নাকি খেদমতের জায়গা? পোস্টারে লেখা থাকে ‘সেবা করার সুযোগ দিন’, অথচ ক্ষমতায় যাওয়ার পর বলা হয়, এতদিন খেতে পারেননি। যতদিন রাজনীতিকে ব্যবসার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হবে, ততদিন মানুষের প্রকৃত খেদমত সম্ভব নয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে নরসিংদী বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমসাময়িক রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও দ্বিচারিতার সমালোচনা করে ফয়জুল করীম আরও বলেন, বিগত নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষে একটি জোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু কিছু মুনাফিকের কারণে সেই আদর্শ ও চরিত্রকে স্থায়ী করা সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত
তিনি বলেন, প্রত্যেককে নিজের নীতি, আদর্শ ও চরিত্র ঠিক রাখতে হবে। যে সত্য কথা বলবে, তার পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। আর যে মিথ্যা বলবে কিংবা খারাপ কাজ করবে, সে নিজের শত্রু হলেও তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার সভাপতি মুফতী সাঈদ আহমদ সরকারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতী মনসুর আহমদ সাকী, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মাওলানা আরিফ বিন মেহের উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব আশরাফ হোসেন ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনির হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা আরিফুল ইসলাম মোল্লাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ নরসিংদী জেলা শাখার পূর্ববর্তী কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মাওলানা মোবারক হোসাইন, সহসভাপতি হিসেবে মাওলানা মাহমুদুল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাওলানা জহিরুল ইসলামকে নির্বাচিত করা হয়।
