আবারও বেড়েছে বোতলজাত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গত ২ নভেম্বর থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হয়েছে। এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের মধ্যে বাড়তি ব্যয়ের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ায় সংসারের ব্যয় আরও বেড়েছে। সীমিত আয়ের মানুষ পারিবারিক বাজেট সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। স্থানীয় ভোক্তারা জানান, বর্তমানে অধিকাংশ পরিবারের দৈনন্দিন রান্নার কাজে এলপিজি অপরিহার্য।
আরও পড়ুন,গাজীপুরে ওসির বিরুদ্ধে তরুণীকে ধর্ষণ, হুমকি ও ডিজিটাল প্রমাণ মুছে ফেলার অভিযোগ
ফলে সিলিন্ডারের দাম বাড়লে সরাসরি মাসিক সংসার খরচে এর প্রভাব পড়ে। আয় না বাড়লেও একের পর এক পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে উঠছে। ভোক্তাদের অভিযোগ, ঘন ঘন এলপিজির দাম বাড়ায় সীমিত আয়ের পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি চাপে পড়ছে। অনেক পরিবারকে রান্নার গ্যাসের বাড়তি খরচ মেটাতে অন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হচ্ছে। এ অবস্থায় এলপিজির দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন কসবার ভোক্তারা। একই সঙ্গে সরকার নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে বাজারে নিয়মিত তদারকি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
আবারও বেড়েছে বোতলজাত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গত ২ নভেম্বর থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হয়েছে। এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের মধ্যে বাড়তি ব্যয়ের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ায় সংসারের ব্যয় আরও বেড়েছে। সীমিত আয়ের মানুষ পারিবারিক বাজেট সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। স্থানীয় ভোক্তারা জানান, বর্তমানে অধিকাংশ পরিবারের দৈনন্দিন রান্নার কাজে এলপিজি অপরিহার্য।
আরও পড়ুন,গাজীপুরে ওসির বিরুদ্ধে তরুণীকে ধর্ষণ, হুমকি ও ডিজিটাল প্রমাণ মুছে ফেলার অভিযোগ
ফলে সিলিন্ডারের দাম বাড়লে সরাসরি মাসিক সংসার খরচে এর প্রভাব পড়ে। আয় না বাড়লেও একের পর এক পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে উঠছে। ভোক্তাদের অভিযোগ, ঘন ঘন এলপিজির দাম বাড়ায় সীমিত আয়ের পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি চাপে পড়ছে। অনেক পরিবারকে রান্নার গ্যাসের বাড়তি খরচ মেটাতে অন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হচ্ছে। এ অবস্থায় এলপিজির দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন কসবার ভোক্তারা। একই সঙ্গে সরকার নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে বাজারে নিয়মিত তদারকি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
