দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

গঙ্গাচড়ায় বড়বিল উন্মুক্ত লটারিতে ১০ নারী কর্মী নিয়োগ, দায়িত্ব পালন করবেন ৫ বছর

গঙ্গাচড়ায় বড়বিল উন্মুক্ত লটারিতে ১০ নারী কর্মী নিয়োগ, দায়িত্ব পালন করবেন ৫ বছর

শিশু-কিশোরদের মেধা ও ক্রীড়া বিকাশে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: সাতক্ষীরায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

শিশু-কিশোরদের মেধা ও ক্রীড়া বিকাশে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: সাতক্ষীরায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

বাসন থানা পুলিশের অভিযানে হারিয়ে যাওয়া গুলিভর্তি পিস্তল উদ্ধার

বাসন থানা পুলিশের অভিযানে হারিয়ে যাওয়া গুলিভর্তি পিস্তল উদ্ধার

কোটালীপাড়ায় বিদ্যালয়ের তালা কেটে চুরি, তছনছ লাইব্রেরি কক্ষ

কোটালীপাড়ায় বিদ্যালয়ের তালা কেটে চুরি, তছনছ লাইব্রেরি কক্ষ

জনবান্ধব পুলিশ গড়তে শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক সুস্থতায় বিশেষ গুরুত্ব চট্টগ্রামের এসপির

জনবান্ধব পুলিশ গড়তে শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক সুস্থতায় বিশেষ গুরুত্ব চট্টগ্রামের এসপির

চার শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে কালেক্টরেট মাঠে ক্রীড়া উৎসব, নতুন অধ্যক্ষের উদ্যোগে ব্যতিক্রমী আয়োজন

চার শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে কালেক্টরেট মাঠে ক্রীড়া উৎসব, নতুন অধ্যক্ষের উদ্যোগে ব্যতিক্রমী আয়োজন

জেলা গোয়েন্দার অভিযানে ১৪৯ বোতল ফেন্সিডিল সহ ৩ ব্যবসায়ী আটক

জেলা গোয়েন্দার অভিযানে ১৪৯ বোতল ফেন্সিডিল সহ ৩ ব্যবসায়ী আটক

দেবহাটার চাঞ্চল্যকর শামীম হত্যা: যুবদল নেতা ভদুর ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

দেবহাটার চাঞ্চল্যকর শামীম হত্যা: যুবদল নেতা ভদুর ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

কেশবপুরে স্কুল কলেজ মাদ্রাসা পড়ুুয়া শিক্ষার্থীরা মোবাইলে আসক্ত

কেশবপুরে স্কুল কলেজ মাদ্রাসা পড়ুুয়া শিক্ষার্থীরা মোবাইলে আসক্ত
শিক্ষার্থীরা মোবাইলে আসক্ত

উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদেকেশবপুরে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময়ের বড় একটি অংশ তাঁরা ব্যয় করছে মোবাইল ফোনে গেম খেলা, ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও বিভিন্ন অনলাইন কনটেন্টসহ জুয়া খেলার পেছনে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অমনোযোগ, সময়ের অপচয়, খেলাধুলার প্রতি অনীহা এবং সামাজিক যোগাযোগ কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবক ও সচেতন মহলে।উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় ১৫৮টি  প্রাথমিক, ২টি কলেজিয়েটসহ ৭৪ টি মাধ্যমি বিদ্যালয়, ৫২ টি মাদ্রাসা ও ১২ টি কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২১ হাজার ৭৬৫ জন কলেজিয়েটসহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৬ হাজার ১০৭ জন, মাদ্রাসায় ১৪ হাজার ৫৬৪ জন ও কলেজে ৫ হাজার ৪৫৩ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। এছাড়া, 

আরও পড়ুন,কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ধীরাজ ভট্টাচার্যের জন্মবার্ষিকী উদযাপন

ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা কওয়ামী মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অগনিত শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। তিন ভাগের দুই ভাগ শিক্ষার্থী সরাসরি ফোন ব্যবহার করে এবং বাকিরা বাবা মায়ের ফোন ব্যবহার করে থাকে।অভিভাবকদের অভিযোগ, অনেক শিক্ষার্থী স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে কিংবা রাতের বেলায় দীর্ঘ সময়  মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। কেউ কেউ পড়ার কথা বলে হাতে মোবাইল নিলেও পরে সামাজিক  যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন গেম ও জুয়ায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে নিয়মিত পড়াশোনা, সময়মত  ঘুম এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর অভ্যাস ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, প্রযুক্তির ব্যবহার শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন ও শিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত এবং নিয়ন্ত্রণহীন মোবাইল ব্যবহার শিক্ষার্থীদের মনোযোগ, সময় ব্যবস্থাপনা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে অল্প বয়সে অনলাইন আসক্তির প্রবণতা তৈরি হলে তা থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। শিক্ষকরা শ্রেণী কক্ষে অ্যান্ড্রয়েড ফোন নিয়ে প্রবেশ করেন। এছাড়া, মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কলেজের শিক্ষার্থীরাও শ্রেণী কক্ষে ফোন নিয়ে ক্লাস করে থাকে। ক্লাস চলাকালে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর ফোনে নানা ধরনের রিংটোন বেজে ওঠে। এতে পাঠদানে বিঘ্ন  ঘটে। 

আরও পড়ুন,কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ধীরাজ ভট্টাচার্যের জন্মবার্ষিকী উদযাপন

বেশির ভাগ ছেলে শিক্ষার্থীরা চায়ের দোকান, বিভিন্ন সড়কের পাশে বসে অধিক রাত পর্যন্ত  মোবাইল ব্যবহার করে থাকে। সম্প্রতি কেশবপুর থানা পুলিশ মোবাইলে গেম খেলার অভিযোগে  মধুসড়কের মজিদপুর শিশুতলা ব্রিজের ওপর থেকে ৪ শিক্ষার্থীকে আটক করে। পরে মুচলিকা নিয়ে  তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ভালুকঘর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাসুদেব সেন গুপ্ত জানান, তার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার ফি, মাসিক বেতন দিতে পারে না। অথচ তারা সবাই অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে। কিন্তু বিদ্যালয়ে ফোন ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যবহারে দায়ি অভিভাবক। কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্লাসে মোবাইল নিয়ে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞার পত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে পেয়েছি। আমি পত্রের নির্দেশনা নোটিশের মাধ্যমে শ্রেনীকক্ষে জানিয়ে দিয়েছি। বেগমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন মন্ডল বলেন, শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে হঠাৎ করে মোবাইল ফোন কেড়ে না নিয়ে তাদেরকে পড়াশোনা, বিনোদন ও ঘুমের সময় নির্ধারণ করে দেয়া এবং বয়স উপযোগী অনলাইন কনটেন্ট ব্যবহার শেখাতে হবে। 

বিষয় : মোবাইলে আসক্ত অমনোযোগ

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬


কেশবপুরে স্কুল কলেজ মাদ্রাসা পড়ুুয়া শিক্ষার্থীরা মোবাইলে আসক্ত

প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদেকেশবপুরে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময়ের বড় একটি অংশ তাঁরা ব্যয় করছে মোবাইল ফোনে গেম খেলা, ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও বিভিন্ন অনলাইন কনটেন্টসহ জুয়া খেলার পেছনে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অমনোযোগ, সময়ের অপচয়, খেলাধুলার প্রতি অনীহা এবং সামাজিক যোগাযোগ কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবক ও সচেতন মহলে।উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় ১৫৮টি  প্রাথমিক, ২টি কলেজিয়েটসহ ৭৪ টি মাধ্যমি বিদ্যালয়, ৫২ টি মাদ্রাসা ও ১২ টি কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২১ হাজার ৭৬৫ জন কলেজিয়েটসহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৬ হাজার ১০৭ জন, মাদ্রাসায় ১৪ হাজার ৫৬৪ জন ও কলেজে ৫ হাজার ৪৫৩ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। এছাড়া, 

আরও পড়ুন,কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ধীরাজ ভট্টাচার্যের জন্মবার্ষিকী উদযাপন

ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা কওয়ামী মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অগনিত শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। তিন ভাগের দুই ভাগ শিক্ষার্থী সরাসরি ফোন ব্যবহার করে এবং বাকিরা বাবা মায়ের ফোন ব্যবহার করে থাকে।অভিভাবকদের অভিযোগ, অনেক শিক্ষার্থী স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে কিংবা রাতের বেলায় দীর্ঘ সময়  মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। কেউ কেউ পড়ার কথা বলে হাতে মোবাইল নিলেও পরে সামাজিক  যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন গেম ও জুয়ায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে নিয়মিত পড়াশোনা, সময়মত  ঘুম এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর অভ্যাস ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, প্রযুক্তির ব্যবহার শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন ও শিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত এবং নিয়ন্ত্রণহীন মোবাইল ব্যবহার শিক্ষার্থীদের মনোযোগ, সময় ব্যবস্থাপনা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে অল্প বয়সে অনলাইন আসক্তির প্রবণতা তৈরি হলে তা থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। শিক্ষকরা শ্রেণী কক্ষে অ্যান্ড্রয়েড ফোন নিয়ে প্রবেশ করেন। এছাড়া, মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কলেজের শিক্ষার্থীরাও শ্রেণী কক্ষে ফোন নিয়ে ক্লাস করে থাকে। ক্লাস চলাকালে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর ফোনে নানা ধরনের রিংটোন বেজে ওঠে। এতে পাঠদানে বিঘ্ন  ঘটে। 

আরও পড়ুন,কেশবপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে ধীরাজ ভট্টাচার্যের জন্মবার্ষিকী উদযাপন

বেশির ভাগ ছেলে শিক্ষার্থীরা চায়ের দোকান, বিভিন্ন সড়কের পাশে বসে অধিক রাত পর্যন্ত  মোবাইল ব্যবহার করে থাকে। সম্প্রতি কেশবপুর থানা পুলিশ মোবাইলে গেম খেলার অভিযোগে  মধুসড়কের মজিদপুর শিশুতলা ব্রিজের ওপর থেকে ৪ শিক্ষার্থীকে আটক করে। পরে মুচলিকা নিয়ে  তাদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ভালুকঘর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাসুদেব সেন গুপ্ত জানান, তার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার ফি, মাসিক বেতন দিতে পারে না। অথচ তারা সবাই অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে। কিন্তু বিদ্যালয়ে ফোন ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যবহারে দায়ি অভিভাবক। কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্লাসে মোবাইল নিয়ে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞার পত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে পেয়েছি। আমি পত্রের নির্দেশনা নোটিশের মাধ্যমে শ্রেনীকক্ষে জানিয়ে দিয়েছি। বেগমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন মন্ডল বলেন, শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে হঠাৎ করে মোবাইল ফোন কেড়ে না নিয়ে তাদেরকে পড়াশোনা, বিনোদন ও ঘুমের সময় নির্ধারণ করে দেয়া এবং বয়স উপযোগী অনলাইন কনটেন্ট ব্যবহার শেখাতে হবে। 


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
কেশবপুরে স্কুল কলেজ মাদ্রাসা পড়ুুয়া শিক্ষার্থীরা মোবাইলে আসক্ত
0:00 0:00
1.0x