সাতক্ষীরা-যশোর মহাসড়কের ছয়ঘরিয়া মোড়ে দ্রুতগতির কোনো যানবাহনের চাপায় রহিমা খাতুন (৫৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর ঘাতক যানটি পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত রহিমা খাতুন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশঘাটা গ্রামের ইনসান আলীর স্ত্রী। নিহতের ছেলে শরিফুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে তাঁর মা বাড়ি থেকে হাঁটতে বের হন। পরে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তিনি খবর পান, ছয়ঘরিয়া মোড়ের কাছাকাছি সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের ওপর তাঁর মায়ের মরদেহ পড়ে রয়েছে। দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি মায়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। এ সময় রহিমা খাতুনের মাথা থেঁতলানো এবং দুই হাত ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান তিনি।
আরও পড়ুন,সাভারে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
শরিফুল ইসলামের ধারণা, রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির কোনো বাস বা ট্রাক তাঁর মাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির কোনো বাস বা ট্রাক রহিমা খাতুনকে চাপা দিয়ে চলে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর মাথা থেঁতলানো ও দুই হাত ভাঙা ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এদিকে ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে এক নারীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘাতক যানটি শনাক্ত ও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
সাতক্ষীরা-যশোর মহাসড়কের ছয়ঘরিয়া মোড়ে দ্রুতগতির কোনো যানবাহনের চাপায় রহিমা খাতুন (৫৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ছয়ঘরিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর ঘাতক যানটি পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত রহিমা খাতুন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশঘাটা গ্রামের ইনসান আলীর স্ত্রী। নিহতের ছেলে শরিফুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে তাঁর মা বাড়ি থেকে হাঁটতে বের হন। পরে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তিনি খবর পান, ছয়ঘরিয়া মোড়ের কাছাকাছি সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের ওপর তাঁর মায়ের মরদেহ পড়ে রয়েছে। দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি মায়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। এ সময় রহিমা খাতুনের মাথা থেঁতলানো এবং দুই হাত ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান তিনি।
আরও পড়ুন,সাভারে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত
শরিফুল ইসলামের ধারণা, রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির কোনো বাস বা ট্রাক তাঁর মাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির কোনো বাস বা ট্রাক রহিমা খাতুনকে চাপা দিয়ে চলে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁর মাথা থেঁতলানো ও দুই হাত ভাঙা ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এদিকে ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে এক নারীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘাতক যানটি শনাক্ত ও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
