পুলিশি সেবা নিতে এসে সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানি, দীর্ঘসূত্রতা কিংবা অযাচিত ভোগান্তির শিকার না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। নগরবাসীর অভিযোগ ও সমস্যার দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেছেন, পুলিশের সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া হতে হবে সহজ, কার্যকর ও জনবান্ধব। সেবাপ্রত্যাশীদের বক্তব্য মনোযোগের সঙ্গে শুনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সিএমপির পূর্বঘোষিত ‘ওপেন হাউজ ডে’ অনুষ্ঠানে এসব নির্দেশনা দেন পুলিশ কমিশনার। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত সেবাপ্রত্যাশীরা তাঁদের অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও অভিযোগ সরাসরি পুলিশ কমিশনারের সামনে তুলে ধরেন। পুলিশি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন জটিলতা ও ব্যক্তিগত সমস্যার বিষয়েও তাঁরা নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এ সময় কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী উপস্থিত নাগরিকদের অভিযোগ ধৈর্য ও মনোযোগের সঙ্গে শোনেন। প্রতিটি বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
আরও পড়ুন, আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪
সেবাপ্রত্যাশীদের সমস্যার সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সিএমপি কমিশনার পুলিশি সেবা প্রদানের প্রতিটি পর্যায়ে দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নির্দেশ দেন, সাধারণ মানুষের অভিযোগকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে এবং সমস্যা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পুলিশি সেবা পেতে গিয়ে নাগরিকদের যেন অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কিংবা দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। নাগরিকদের সঙ্গে পুলিশের সরাসরি যোগাযোগ এবং তাঁদের অভিযোগ শোনার সুযোগ তৈরি করা এই আয়োজনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে উঠে আসে। অনুষ্ঠানে সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) শেখ শরীফুল ইসলাম এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) নেছার উদ্দিন আহম্মেদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সিএমপির এই ‘ওপেন হাউজ ডে’ আয়োজনের মাধ্যমে নগরবাসী তাঁদের অভিযোগ ও সমস্যার কথা সরাসরি পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ পান। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা পুলিশি সেবাকে আরও সহজলভ্য, কার্যকর ও নাগরিকবান্ধব করার প্রত্যাশাকে সামনে এনেছে।
বিষয় : সিএমপি কমিশনার পুলিশি সেবা

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
পুলিশি সেবা নিতে এসে সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের হয়রানি, দীর্ঘসূত্রতা কিংবা অযাচিত ভোগান্তির শিকার না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। নগরবাসীর অভিযোগ ও সমস্যার দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেছেন, পুলিশের সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া হতে হবে সহজ, কার্যকর ও জনবান্ধব। সেবাপ্রত্যাশীদের বক্তব্য মনোযোগের সঙ্গে শুনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সিএমপির পূর্বঘোষিত ‘ওপেন হাউজ ডে’ অনুষ্ঠানে এসব নির্দেশনা দেন পুলিশ কমিশনার। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত সেবাপ্রত্যাশীরা তাঁদের অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও অভিযোগ সরাসরি পুলিশ কমিশনারের সামনে তুলে ধরেন। পুলিশি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিভিন্ন জটিলতা ও ব্যক্তিগত সমস্যার বিষয়েও তাঁরা নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এ সময় কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী উপস্থিত নাগরিকদের অভিযোগ ধৈর্য ও মনোযোগের সঙ্গে শোনেন। প্রতিটি বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
আরও পড়ুন, আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪
সেবাপ্রত্যাশীদের সমস্যার সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সিএমপি কমিশনার পুলিশি সেবা প্রদানের প্রতিটি পর্যায়ে দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নির্দেশ দেন, সাধারণ মানুষের অভিযোগকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে এবং সমস্যা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পুলিশি সেবা পেতে গিয়ে নাগরিকদের যেন অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কিংবা দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। নাগরিকদের সঙ্গে পুলিশের সরাসরি যোগাযোগ এবং তাঁদের অভিযোগ শোনার সুযোগ তৈরি করা এই আয়োজনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে উঠে আসে। অনুষ্ঠানে সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) শেখ শরীফুল ইসলাম এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) নেছার উদ্দিন আহম্মেদসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সিএমপির এই ‘ওপেন হাউজ ডে’ আয়োজনের মাধ্যমে নগরবাসী তাঁদের অভিযোগ ও সমস্যার কথা সরাসরি পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ পান। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা পুলিশি সেবাকে আরও সহজলভ্য, কার্যকর ও নাগরিকবান্ধব করার প্রত্যাশাকে সামনে এনেছে।
