সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করতে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মামলার সব নথিপত্রসহ টাস্কফোর্সের প্রধান ও তানভীর জোহাকে ২০২৭ সালের ২৯ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।আদালতে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, সাগর-রুনি হত্যা মামলায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচী জড়িত বলে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর ও তানভীর জোহা টাস্কফোর্সকে জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে আদালতে উত্থাপিত বক্তব্যকে তদন্তে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই; তদন্তের ফলাফল ও আদালতের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই বিষয়টি নির্ধারিত হবে।মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্ধারিত সময়ের আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন করে টাস্কফোর্স।
আরও পড়ুন,মুজগুন্নি আবাসিক এলাকায় তরুণী আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপপ্রচারের অভিযোগ
ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট তদন্ত শেষ করতে আরও ছয় মাস সময় দেন।এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর র্যাবের পরিবর্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। পরে নির্ধারিত সময়সহ বিভিন্ন পর্যায়ে তদন্তের সময় বাড়ানো হয়।২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলাটি করেন।দীর্ঘ সময় পার হলেও বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন জমা না হওয়ায় বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার ও সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ রয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করতে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মামলার সব নথিপত্রসহ টাস্কফোর্সের প্রধান ও তানভীর জোহাকে ২০২৭ সালের ২৯ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।আদালতে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, সাগর-রুনি হত্যা মামলায় জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচী জড়িত বলে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর ও তানভীর জোহা টাস্কফোর্সকে জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে আদালতে উত্থাপিত বক্তব্যকে তদন্তে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই; তদন্তের ফলাফল ও আদালতের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই বিষয়টি নির্ধারিত হবে।মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্ধারিত সময়ের আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন করে টাস্কফোর্স।
আরও পড়ুন,মুজগুন্নি আবাসিক এলাকায় তরুণী আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপপ্রচারের অভিযোগ
ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট তদন্ত শেষ করতে আরও ছয় মাস সময় দেন।এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর র্যাবের পরিবর্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। পরে নির্ধারিত সময়সহ বিভিন্ন পর্যায়ে তদন্তের সময় বাড়ানো হয়।২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলাটি করেন।দীর্ঘ সময় পার হলেও বহুল আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন জমা না হওয়ায় বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার ও সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন