নেশার টাকার জন্য স্ত্রীর পার্লারে হামলা ও মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে গণঅধিকার পরিষদের কোনাবাড়ী মেট্রো থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী স্ত্রীর অভিযোগ, নেশার টাকার জন্য তিনি স্ত্রীর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আমবাগ এলাকার একটি পার্লারে হামলা চালিয়ে তাঁকে মারধর করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী কোনাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ঘটনার সময় তাঁর স্বামী তাঁকে সজোরে চড় মারেন এবং তলপেটে লাথি মারেন। সম্প্রতি সিজারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেওয়ায় তাঁর তলপেটে অস্ত্রোপচারের সেলাইয়ের স্থানে আঘাত লাগে বলে দাবি করেন তিনি। এতে তিনি শারীরিকভাবে কষ্টের মধ্যে পড়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। মাদকাসক্তির কারণে নির্যাতনের অভিযোগ ভুক্তভোগী স্ত্রীর দাবি, তাঁর স্বামী ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ার পর থেকে তাঁর ওপর নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। নেশার টাকার জন্য তাঁকে চাপ দেওয়া এবং এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিকীর বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। একইভাবে থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গৃহীত আইনগত পদক্ষেপও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযুক্তের বক্তব্য ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
আরোও পড়ুন,ডান্স ক্লাব থেকে আবাসিক হোটেল, রকি-মুরাদ চক্রের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!
এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক সংগঠনের থানা পর্যায়ের দায়িত্বশীল পদে থাকা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। এলাকাবাসী ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেছেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তিনি যাতে কোনো ধরনের হুমকি বা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা। প্রবাসে থাকা স্বজনদের উদ্বেগ ভুক্তভোগী নারীর মা ও ভাই দুবাইয়ে প্রবাসী। দেশের বাইরে অবস্থান করায় তাঁরা এ ঘটনায় উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী নারীর পাশে দাঁড়াতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ও মহিলা সংগঠনগুলোর সদস্যদের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে পরিবার। সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপত্তার দাবি ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর পরিবারের দাবি, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে..

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
নেশার টাকার জন্য স্ত্রীর পার্লারে হামলা ও মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে গণঅধিকার পরিষদের কোনাবাড়ী মেট্রো থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী স্ত্রীর অভিযোগ, নেশার টাকার জন্য তিনি স্ত্রীর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আমবাগ এলাকার একটি পার্লারে হামলা চালিয়ে তাঁকে মারধর করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী কোনাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ঘটনার সময় তাঁর স্বামী তাঁকে সজোরে চড় মারেন এবং তলপেটে লাথি মারেন। সম্প্রতি সিজারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেওয়ায় তাঁর তলপেটে অস্ত্রোপচারের সেলাইয়ের স্থানে আঘাত লাগে বলে দাবি করেন তিনি। এতে তিনি শারীরিকভাবে কষ্টের মধ্যে পড়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। মাদকাসক্তির কারণে নির্যাতনের অভিযোগ ভুক্তভোগী স্ত্রীর দাবি, তাঁর স্বামী ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ার পর থেকে তাঁর ওপর নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। নেশার টাকার জন্য তাঁকে চাপ দেওয়া এবং এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আবু বক্কর সিদ্দিকীর বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। একইভাবে থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গৃহীত আইনগত পদক্ষেপও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযুক্তের বক্তব্য ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
আরোও পড়ুন,ডান্স ক্লাব থেকে আবাসিক হোটেল, রকি-মুরাদ চক্রের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!
এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক সংগঠনের থানা পর্যায়ের দায়িত্বশীল পদে থাকা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। এলাকাবাসী ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেছেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তিনি যাতে কোনো ধরনের হুমকি বা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা। প্রবাসে থাকা স্বজনদের উদ্বেগ ভুক্তভোগী নারীর মা ও ভাই দুবাইয়ে প্রবাসী। দেশের বাইরে অবস্থান করায় তাঁরা এ ঘটনায় উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী নারীর পাশে দাঁড়াতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ও মহিলা সংগঠনগুলোর সদস্যদের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে পরিবার। সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপত্তার দাবি ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর পরিবারের দাবি, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে..

আপনার মতামত লিখুন